ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

কলমাকান্দায় ইউপি চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান স্বপদে বহাল

কলমাকান্দা (নেত্রকোণা) প্রতিনিধি

কলমাকান্দা (নেত্রকোণা) প্রতিনিধি

ফেব্রুয়ারি ২, ২০২৬, ০৮:২৪ পিএম

কলমাকান্দায় ইউপি চেয়ারম্যান সাইদুর রহমান স্বপদে বহাল

নেত্রকোণা জেলার কলমাকান্দা উপজেলার একটি ইউনিয়ন পরিষদ সংক্রান্ত সরকারি ঘোষণাপত্র ও অফিস আদেশের কার্যকারিতা তিন মাসের জন্য স্থগিত করেছেন হাইকোর্ট। 

একই সঙ্গে এ বিষয়ে একটি রুল জারি করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে চার সপ্তাহের মধ্যে জবাব দিতে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। এ আদেশের ফলে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. সাইদুর রহমান ভূইয়া আপাতত স্বপদে বহাল থাকছেন।

স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন, ২০০৯-এর ধারা ১০১ ও ১০২ অনুযায়ী জারিকৃত ঘোষণাপত্র ও অফিস আদেশ কেন বেআইনি ও আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না, রুলে তা জানতে চাওয়া হয়েছে। রিটটি দায়ের করেন চেয়ারম্যান মো. সাইদুর রহমান ভূইয়া নিজে।

আদালত সূত্র জানায়, গত ১৮ জানুয়ারি ও ১৯ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে জারিকৃত ঘোষণাপত্র ও অফিস আদেশের কার্যকারিতা চূড়ান্ত শুনানি না হওয়া পর্যন্ত তিন মাসের জন্য স্থগিত থাকবে। আইনজীবী ও প্রশাসনিক সূত্র জানায়, যেহেতু আদেশের কার্যকারিতা স্থগিত রয়েছে, সে কারণে চেয়ারম্যান পদে দায়িত্ব পালনে সাইদুর রহমানের কোনো আইনগত বাধা নেই।

রিটকারী চেয়ারম্যান মো. সাইদুর রহমান ভূইয়া বলেন, ‘আমি আইনের শাসন ও আদালতের মর্যাদার প্রতি শ্রদ্ধাশীল। সাংবিধানিক অধিকার অনুযায়ী ন্যায়বিচারের আশায় হাইকোর্টে রিট করেছি। আদালত স্থগিতাদেশ দেওয়ায় আমার চেয়ারম্যান পদে বহাল থাকার আইনগত ভিত্তি রয়েছে।’

তবে ২৯ জানুয়ারি হাইকোর্টের স্থগিত আদেশের পরও নিয়োগপ্রাপ্ত প্রশাসক ও উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিম পরিষদের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে রেজাউল করিম বলেন, তিনি ইউএনওর নির্দেশে দায়িত্ব পালন করছেন এবং আদালতের স্থগিতাদেশের বিষয়ে তাঁর জানা নেই।

নেত্রকোণা জেলা প্রশাসক মো. সাইফুর রহমান জানান, স্থগিতাদেশের কপি তিনি এখনো পাননি। সদর দপ্তরের আদেশ না পেলে এ বিষয়ে মন্তব্য করা কঠিন। 

সচেতন মহলের মতে, আদালতের স্থগিতাদেশ থাকা অবস্থায় প্রশাসনিক কার্যক্রম চালানো হলে আইনি জটিলতা তৈরি হতে পারে। চার সপ্তাহ পর রুলের শুনানিতে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানা যাবে।

ইএইচ

Link copied!