ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ছাত্রলীগ নেতার প্যারোলে মুক্তি না দেওয়া মানবাধিকারের লঙ্ঘন: আসক

নিজস্ব প্রতিবেদক

নিজস্ব প্রতিবেদক

জানুয়ারি ২৫, ২০২৬, ০৮:০২ পিএম

ছাত্রলীগ নেতার প্যারোলে মুক্তি না দেওয়া মানবাধিকারের লঙ্ঘন: আসক

যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে আটক বাগেরহাট সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি জুয়েল হাসান সাদ্দামকে তার মৃত স্ত্রী ও ৯ মাস বয়সী শিশুসন্তানের জানাজায় অংশগ্রহণের সুযোগ না দেওয়াকে সংবিধান ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন বলে মন্তব্য করেছে আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)। 

রোববার এক বিবৃতিতে আসক এই প্রতিক্রিয়া জানায়। আসকের চেয়ারপারসন ও সুপ্রিম কোর্টের অ্যাডভোকেট জেড আই খান পান্না গণমাধ্যমে এই বিবৃতি পাঠিয়েছেন।

বিবৃতিতে বলা হয়, সংবিধানের ২৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং ৩১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আইনের আশ্রয় লাভের অধিকারী। এ ছাড়া ৩৫(৫) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী কোনো ব্যক্তিকে অমানবিক বা অবমাননাকর আচরণের শিকার করা যাবে না। বিচারাধীন বন্দী হিসেবে জুয়েল হাসান সাদ্দাম এসব সাংবিধানিক সুরক্ষা থেকে বঞ্চিত নন। অথচ চরম মানবিক পরিস্থিতিতে জানাজা ও দাফনে অংশগ্রহণের সুযোগ না দিয়ে তাকে কেবল কারাফটকে মৃতদেহ দেখানো অমানবিক আচরণের শামিল।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ২০১৬ সালের নীতিমালা উল্লেখ করে বিবৃতিতে জানানো হয়, কয়েদি বা হাজতি বন্দীদের নিকটাত্মীয় মারা গেলে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য প্যারোলে মুক্তি দেওয়ার বিধান রয়েছে। পরিবার আবেদন করা সত্ত্বেও এই বিধান প্রয়োগ না করা আইনের উদ্দেশ্য ও ন্যায্য প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার পরিপন্থী।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, আন্তর্জাতিক নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকার সনদ (আইসিসিপিআর) অনুযায়ী স্বাধীনতাবঞ্চিত ব্যক্তির সঙ্গে মানবিক আচরণ করা বাধ্যতামূলক। কারাফটকে মাত্র পাঁচ মিনিটের জন্য মৃত স্ত্রী ও সন্তানের মুখ দেখিয়ে জানাজা থেকে বঞ্চিত করা আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী।

আসক প্রশ্ন তুলেছে, কোন আইন বা আদেশের ভিত্তিতে এই আবেদন নাকচ করা হয়েছে তা জানার অধিকার নাগরিকদের রয়েছে। কারা কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের এই নীরবতা প্রশাসনিক স্বেচ্ছাচার ও বৈষম্যমূলক আচরণের সৃষ্টি করেছে। এই ঘটনায় রাষ্ট্রের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের স্পষ্ট ব্যাখ্যা ও জবাবদিহি দাবি করেছে সংগঠনটি।

ইএইচ

Link copied!