ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

১০ ডিসেম্বর মাদারীপুর মুক্ত দিবস

জাহিদ হাসান, মাদারীপুর

জাহিদ হাসান, মাদারীপুর

ডিসেম্বর ৯, ২০২৩, ০১:৫৮ পিএম

১০ ডিসেম্বর মাদারীপুর মুক্ত দিবস

আজ ১০ ডিসেম্বর মাদারীপুর মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এ দিনে একটানা ৩৬ ঘণ্টা যুদ্ধ শেষে পাক হানাদার বাহিনী আত্মসমর্পণ করে মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে। শত্রুমুক্ত হয় মাদারীপুর জেলা।

এ সংবাদে হাজার হাজার মুক্তকামী মানুষ জয় বাংলা শ্লোগানে রাস্তায় নেমে আসে। বিজয় পতাকা উড়ে বাড়িতে বাড়িতে। এ যুদ্ধে শহীদ হন মাদারীপুর জেলার সর্বকনিষ্ঠ মুক্তিযোদ্ধা সরোয়ার হোসেন বাচ্চু।

ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহ থেকে জেলার সবক’টি থানা মুক্তিযোদ্ধাদের দখলে চলে আসে। এ কারণে পাক হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসররা মাদারীপুর জেলার এআর হাওলাদার জুট মিলের ভেতর এবং সরকারি নাজিম উদ্দিন কলেজে (বর্তমান সরকারী মাদারীপুর কলেজ) অবস্থান নেয়। মুক্তিযোদ্ধারা তাদের চারদিকে থেকে ঘিরে রাখে।

৯ ডিসেম্বর পাক হানাদার বাহিনী মাদারীপুর ছেড়ে ফরিদপুরের উদ্দেশ্যে চলে যাবে এমন সংবাদ পেয়ে মুক্তিবাহিনীর সদস্যরা ব্যাপক প্রস্তুতি নিতে থাকে। ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের ঘটকচর থেকে সমাদ্দার ব্রিজের পশ্চিমপাড় পর্যন্ত সড়কের ৪ কিলোমিটার অংশ জুড়ে অবস্থান নেয় মুক্তিযোদ্ধরা। ৯ ডিসেম্বর ভোর ৫টার দিকে পাক হানাদার বাহিনী গোলবারুদ, অস্ত্র ও কনভয়সহ বাঙালি দোসর রাজাকার, আলবদর, আলসামস ও মুজাহিদ বাহিনী নিয়ে ফরিদপুরের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। ভোর সাড়ে ৫টার দিকে ঘটকচর ব্রিজ পার হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধারা তাদের আক্রমণ শুরু করে। এ যুদ্ধে শহীদ হন মাদারীপুরের সর্বকনিষ্ঠ মুক্তিযোদ্ধা সরোয়ার হোসেন বাচ্চু। যুদ্ধে ২০ পাক হানাদার সেনা নিহত হয়। তুমূল যুদ্ধ শেষে ১০ ডিসেম্বর বিকেলে আত্মসমর্পণ করে পাক হানাদার বাহিনী। বিজয় পতাকা উড়ে মাদারীপুরে।

আত্মসমর্পণের পর মুক্তিযোদ্ধারা আত্মসমর্পণকারীদের অস্ত্র-শস্ত্র কভার করে সারা রাত সমাদ্দার ব্রিজ অবরোধ করে রাখেন। পরদিন ১১ ডিসেম্বর সকালে তাদের নিয়ে যাওয়া হয় কলাগাছিয়ায় মুক্তিযোদ্ধাদের ক্যাম্পে। ১২ ডিসেম্বর তাদের মাদারীপুরে এনে সাব-জেলে বন্দি করে রাখা হয়।

মাদারীপুর সাবেক জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ এর ডেপুটি কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, মাদারীপুরের মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে ঐ সময়ের হানাদার বাহিনীরা আত্মসমর্পন করতে বাধ্য হয় তবে সেদিন আমাদের অনেক মুক্তিযোদ্ধারা শহিদ হন। এইদিন আমাদের আনন্দের দিন হলেও আমরা অনেক মুক্তিযোদ্ধাদের হারিয়েছি বিজয় দিবস আনতে।

মাদারীপুরে মাটিতে এখনও এদেশীয় দোসররা ফাঁক- ফোঁকর দিয়ে ঘুড়ে বেড়াচ্ছে। তাই বিজয়ের এ মাসেই সকল যুদ্ধপরাধীসহ রাজাকারা দেশে ও বিদেশ যারা রয়েছে তাদের শাস্তি দিয়ে মাদারীপুরসহ দেশকে কলঙ্কমুক্ত করা উচিত।

মাদারীপুর মুক্ত দিবস উপলক্ষে মাদারীপুর জেলা প্রশাসন, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ও বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলো নানা কর্মসূচি পালন করছে।

এআরএস

Link copied!