জসীম উদ্দিন জয়নাল, পার্বত্যাঞ্চল
আগস্ট ২৫, ২০২৫, ০৬:৪৬ পিএম
সরকারি কর্মচারীদের জনসেবার মানসিকতা ধারণ করার আহ্বান জানিয়েছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক উপদেষ্টা রাষ্ট্রদূত (অব.) সুপ্রদীপ চাকমা।
বলেন, “জনসেবার জন্যই আমাদের নিয়োগ হয়েছে। তাই সবার মধ্যে সর্বদা সেবা দেওয়ার মানসিকতা থাকতে হবে।”
সোমবার রাজধানীর বেইলি রোডে পার্বত্য চট্টগ্রাম ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও গবেষণা কেন্দ্রের সেমিনার কক্ষে আয়োজিত দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
কর্মশালাটি পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও এটুআই-এর যৌথ উদ্যোগে ন্যাশনাল ড্যাশবোর্ড বাস্তবায়নের প্রয়োজনীয়তা বিশ্লেষণ বিষয়ে অনুষ্ঠিত হয়।
উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা বলেন, “আমাদের অগ্রগতি নিশ্চিত করতে হলে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার জানতে হবে। পার্বত্য চট্টগ্রাম কমপ্লেক্স ভবনকে আধুনিকায়ন করে একটি তথ্য হাব গড়ে তুলতে চাই, যেখানে দেশ-বিদেশের যেকোনো ব্যক্তি পার্বত্য অঞ্চলের উৎপাদিত পণ্যের তথ্য পেতে পারবেন।”
তিনি আরও জানান, পাহাড়ি আম, আনারস, কলা ও ড্রাগন ফলসহ পার্বত্য চট্টগ্রামের অর্গানিক ফল এখন আগের তুলনায় বেশি উৎপাদিত হচ্ছে। এসব কেমিক্যালমুক্ত ফল আন্তর্জাতিক বাজারে পরিচিত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
উপদেষ্টা বলেন, “দেশের বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর চিন্তা ও চেতনায় পার্বত্য চট্টগ্রামবাসীরাও সমঅংশীদার হতে চায়। আমাদের ঐতিহ্য, সম্পদ ও সম্ভাবনা জাতীয় উন্নয়নের অংশ হতে পারে।”
সভাপতির বক্তব্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আব্দুল খালেক বলেন, “সবকিছুই হাতের মুঠোয় থাকতে হবে। ড্যাশবোর্ডের মাধ্যমে আমরা আমাদের কার্যক্রম সম্পর্কে সর্বদা আপডেট থাকতে পারব।” তিনি সরকারি চাকরির বিধি-বিধান সম্পর্কে ওয়াকিবহাল থাকার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত সচিব মো. মনিরুল ইসলাম, যুগ্মসচিব কঙ্কন চাকমা, যুগ্মসচিব অতুল সরকার, যুগ্মসচিব মো. মমিনুর রহমান এবং যুগ্মসচিব কাজী তোফায়েল আহমেদ।
প্রশিক্ষণ পরিচালনা করেন এটুআই-এর রেজাল্ট ম্যানেজমেন্ট অ্যানালিস্ট মো. আনোয়ারুল আরিফ খান, ডাটা কো-অর্ডিনেশন অফিসার মো. আশরাফুল ইসলাম, রিফাত-ই-জাহান সিদ্দিকী, অনিক কুমার পাল, সহকারী প্রোগ্রামার ওয়াহিদ পলাশ, সহকারী রক্ষণাবেক্ষণ প্রকৌশলী হাবিবুল্লাহ নাহিদ ও পল্টু চন্দ্র দাস।
দিনব্যাপী কর্মশালায় অংশ নেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়, পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ, তিন পার্বত্য জেলা পরিষদ, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড, শরণার্থী বিষয়ক টাস্কফোর্স ও চিফ অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড ফিনান্স অফিসারের কার্যালয়ের কর্মকর্তারা।
ইএইচ