ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২৬

শিশুর পা মোচড় দেওয়ার ভাইরাল ভিডিও নিয়ে যা জানা গেল

আমার সংবাদ ডেস্ক

আমার সংবাদ ডেস্ক

জুলাই ১৫, ২০২৬, ০৩:২৩ এএম

শিশুর পা মোচড় দেওয়ার ভাইরাল ভিডিও নিয়ে যা জানা গেল

নরসিংদীর মাধবদীতে এক শিশুর পা মোচড় দেওয়ার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর দেশজুড়ে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। তবে ভাইরাল হওয়া ভিডিওটির মতো শিশুটির পা ভাঙেনি বলে নিশ্চিত করেছে ভুক্তভোগী পরিবার ও পুলিশ। পারিবারিক বিরোধের জেরে হওয়া একটি ঘটনার ভিডিও ক্লিপ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে সম্পাদনা করে ইন্টারনেটে ছড়ানো হয়েছে বলে দাবি করেছে শিশুটির বাবা-মা।

নরসিংদী সদর উপজেলার আমদিয়া ইউনিয়নের পাইকাদি এলাকায় গত ১১ জুন এই ঘটনাটি ঘটে। ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর ব্যাপক শোরগোল সৃষ্টি হলে গতকাল মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) মাধবদী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্ত চালায়। তবে পুলিশ সেখানে গিয়ে শিশুটির পা ভাঙা বা কোনো শারীরিক আঘাতের চিহ্ন পায়নি।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পাইকাদি এলাকার জহিরুল মিয়া ও সায়মা আক্তার দম্পতির তিন মাস বয়সী একটি ছেলে সন্তান রয়েছে, যার নাম রিজিক। জন্মের পর নানা শারীরিক জটিলতার কারণে শিশুটিকে দীর্ঘ সময় হাসপাতালে রাখতে হয়। এ সময় সায়মা আক্তারকে হাসপাতালে ব্যস্ত থাকায় তাঁর জাঁ (স্বামীর ভাইয়ের স্ত্রী) লতা বেগমকে বাড়ির বাড়তি কাজকর্ম করতে হতো। গৃহস্থালি কাজ নিয়ে তাঁদের মধ্যে পারিবারিক মনোমালিন্য তৈরি হয়।

এরই জেরে গত ১১ জুন লতা বেগম ক্ষুব্ধ হয়ে শিশুটির পায়ে মোচড় দেন। এই ঘটনার একটি দৃশ্য সায়মা আক্তারের মোবাইল ফোনে ধারণ করা হয়। পরবর্তীতে সেই সাধারণ ভিডিও ক্লিপটি এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে বিকৃত করা হয় এবং পা ভেঙে ফেলার নাটকীয় দৃশ্য যুক্ত করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়।

পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে ভুক্তভোগী শিশুর বাবা জহিরুল মিয়া ও মা সায়মা আক্তার জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওটি সম্পূর্ণ এআই দিয়ে এডিট করা। বাস্তবে তাঁদের সন্তানের কোনো ক্ষতি হয়নি, পা ভাঙেনি এবং পায়ে কোনো ব্যান্ডেজ বা প্লাস্টারও নেই। পারিবারিক ভুল বোঝাবুঝি থেকে ঘটনাটি ঘটেছিল এবং অভিযুক্ত জাঁ লতা বেগমের বাবা এসে তাঁকে শাসন করার পর বিষয়টি পারিবারিকভাবেই নিষ্পত্তি হয়ে গেছে।

মাধবদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামাল হোসেন জানান, ঘটনার খবর পেয়ে তিনি নিজেই ওই বাড়িতে যান এবং শিশুটিকে সুস্থ অবস্থায় দেখেন। ঘরের কাজ নিয়ে জাঁদের মধ্যকার মনোমালিন্যের জেরে এই ঘটনাটি ঘটেছিল। পরে সেটির মূল ভিডিওটি বিকৃত করে ফেসবুকে ছড়ানো হয়েছে। এ বিষয়ে শিশুটির মা-বাবার কোনো অভিযোগ নেই এবং তাঁরা ঘটনাটি পারিবারিকভাবে মিটিয়ে নিয়েছেন বলে পুলিশকে নিশ্চিত করেছেন।

জেএইচআর

Link copied!