ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

আসল না নকল? জুলাই যোদ্ধাদের তালিকায় টিপু সুলতান নিয়ে প্রশ্ন

ইয়ামিন হাসান, সাঘাটা

ইয়ামিন হাসান, সাঘাটা

সেপ্টেম্বর ৫, ২০২৫, ০৪:৪৩ পিএম

আসল না নকল? জুলাই যোদ্ধাদের তালিকায় টিপু সুলতান নিয়ে প্রশ্ন

সারাদেশ আজ ফ্যাসিবাদমুক্ত হয়ে শান্তি ও অনিয়মমুক্ত নতুন একটি দেশের স্বপ্ন দেখছে। সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে অসংখ্য তরুণ, শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ রক্ত দিয়েছেন—কেউ হয়েছেন শহীদ, কেউ আজীবন পঙ্গু। 

তাদের রক্ত-ঘামে লেখা ইতিহাস সংরক্ষণের জন্য সরকার আহতদের তালিকা গেজেট আকারে প্রকাশ করেছে।

কিন্তু সেই তালিকায় ভুয়া নাম অন্তর্ভুক্তির অভিযোগে গাইবান্ধার সাঘাটায় নিন্দার ঝড় বইছে। 

অভিযোগ উঠেছে, পারিবারিক জমি-জমার দ্বন্দ্বে আহত হয়ে চিকিৎসা সনদকে হাতিয়ার বানিয়ে গেজেটের ১১৭ নম্বরে টিপু সুলতান নামের এক ব্যক্তি ঢুকে পড়েছেন জুলাই আহতদের তালিকায়।

লিখিত অভিযোগে বলা হয়, টিপু সুলতান নিজেকে জুলাই আহতদের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে রাষ্ট্রীয় মর্যাদার আসনে বসেছেন। 

অভিযোগকারী কবির হোসেন দাবি করেন, প্রকৃত সত্য হলো—তিনি ব্যক্তিগত বিরোধে আহত হয়েছিলেন এবং মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে নাম তুলেছেন সরকারি তালিকায়।

বৈষম্যবিরোধী নেতা ও এনসিপির সমন্বয়ক মো. হিরু অভিযোগ করে বলেন, “টিপু সুলতান কোথায় জুলাই যুদ্ধ করেছেন? তিনি তো ভুয়া জুলাই যোদ্ধা।”

এনসিপির আরেক নেতা মো. শামীম জানান, “টিপু সুলতানের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ রয়েছে। আমাদের বিশ্বাস, তিনি প্রকৃত যোদ্ধা নন।”

গাইবান্ধা জেলা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক সাদ্দাম হোসেন বলেন, “টিপু সুলতান আদৌ প্রকৃত জুলাই যোদ্ধা কিনা, তা নিরপেক্ষ তদন্তেই প্রমাণিত হওয়া উচিত।”

এ বিষয়ে টিপু সুলতানের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি মন্তব্য করতে রাজি হননি। 

তবে তদন্ত কর্মকর্তার কাছে একটি লিখিত বক্তব্য দিয়েছেন এবং এটিকেই তার একমাত্র বক্তব্য হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

সাঘাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মীর মো. আল কামাহ তমাল বলেন, “অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত টিম গঠন করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন হাতে এলে তা উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে।”

এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ প্রশ্ন তুলছে—শহীদের রক্তে লেখা ইতিহাসে কীভাবে ভুয়া নাম ঢুকে যায়? আর যদি ভুয়া যোদ্ধারা সরকারি তালিকায় জায়গা পায়, তবে প্রকৃত শহীদদের আত্মত্যাগ কি তবে অপমানিত হবে না?

স্থানীয় বাসিন্দা আবু তাহের বলেন, “ভুয়া জুলাই যোদ্ধা হলে তদন্ত করে গেজেট দ্রুত বাতিল করতে হবে। অন্যথায় শহীদদের আত্মত্যাগের ইতিহাস কলঙ্কিত হবে।” আরেক স্থানীয় বেলাল হোসেন জানান, “প্রকৃত জুলাই যোদ্ধা নয় যারা, তারা যেন সরকারি কোনো অনুদান না পায়।”

বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে লেখালেখি শুরু হলে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়। সুষ্ঠু তদন্তের দাবি তুলছে সাধারণ মানুষ।

ইএইচ

Link copied!