ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ছাড়পত্র বাতিলের পরও সচল আকন্দ ‘স’ মিল

সাঘাটা (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি

সাঘাটা (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি

অক্টোবর ২০, ২০২৫, ০৩:১৯ পিএম

ছাড়পত্র বাতিলের পরও সচল আকন্দ ‘স’ মিল

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার হাট ভরতখালী সরকারপাড়ায় আহলে হাদিস জামে মসজিদের মাত্র ৩০ মিটার দূরে অবস্থিত আকন্দ ‘স’মিলের পরিবেশগত ছাড়পত্র বাতিল হলেও মিলটির কার্যক্রম বন্ধ হয়নি। বরং অতিরিক্ত বিকট শব্দে করাতকলটি এখনও সচল রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

মসজিদ কমিটি ও মুসল্লিদের পক্ষ থেকে নিয়মবহির্ভূতভাবে পরিচালিত এ করাতকলের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হলে তদন্ত শেষে গাইবান্ধা পরিবেশ অধিদপ্তর মিলটির ছাড়পত্র বাতিল করে।

অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক উত্তম কুমার স্বাক্ষরিত চিঠিতে করাতকলটি অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হলেও, সেই নির্দেশ উপেক্ষা করে মালিক মো. আমিনুল ইসলাম আকন্দ অবাধে কলটি চালিয়ে যাচ্ছেন বলে জানা গেছে।

এদিকে মসজিদ কমিটি পুনরায় প্রধান বন সংরক্ষক কর্মকর্তার বরাবর আবেদন করলে, রংপুর বিভাগীয় বন্যপ্রাণী ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ কর্মকর্তা স্মৃতি সিংহ রায় গত ২৮ আগস্ট ঘটনাস্থলে তদন্ত সম্পন্ন করেন। কিন্তু তদন্ত করার পর দেড় মাস অতিক্রান্ত হলেও এখনো তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেননি। মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে স্মৃতি সিংহ রায় বলেন, “আমি এ বিষয়ে কথা বলতে চাই না।”

স্থানীয়রা জানান, করাতকলের বিকট শব্দ ও ধুলাবালির কারণে মসজিদে নামাজ আদায়ে বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে। এতে ধর্মপ্রাণ মুসল্লি ও এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে।

মসজিদ কমিটির পক্ষে রফিকুল ইসলাম বলেন, “নিয়ম না মেনে বেপরোয়াভাবে করাতকলটি চালানো হচ্ছে। পরিবেশ অধিদপ্তর ছাড়পত্র বাতিল করলেও প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না। মসজিদের শান্তিপূর্ণ ইবাদত ও এলাকার পরিবেশ রক্ষায় মিলটি অবিলম্বে বন্ধ করা প্রয়োজন।”

গাইবান্ধা পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক উত্তম কুমার বলেন, “করাতকলটির অবস্থানগত ছাড়পত্র বাতিল করা হয়েছে। করাতকল পরিচালনার লাইসেন্সের বিষয়টি বন বিভাগের আওতাধীন। তাই পরবর্তী পদক্ষেপ বন বিভাগ নেবে বলে আশা করছি।”

এ বিষয়ে সাঘাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মীর মো. আল কামাহ্ তমাল বলেন, “সংশ্লিষ্ট দপ্তরের নির্দেশনা পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

ইএইচ

Link copied!