ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

সাঘাটায় এডিপি প্রকল্পের কাজে ধীরগতি ও অনিয়মের অভিযোগ

সাঘাটা প্রতিনিধি

সাঘাটা প্রতিনিধি

জানুয়ারি ১৮, ২০২৬, ০৩:৩৯ পিএম

সাঘাটায় এডিপি প্রকল্পের কাজে ধীরগতি ও অনিয়মের অভিযোগ

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলা উন্নয়ন সহায়তা তহবিলের আওতায় বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি এডিপি প্রকল্পের কাজে মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও বাস্তবায়ন হয়নি। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর এলজিইডি ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ২ কোটি ৪৬ লাখ ৩৬ হাজার টাকা চুক্তিমূল্যে সতেরটি টেন্ডার প্রকল্পের আহ্বান করে। 

প্রকল্পটি নিয়ে দিন যত যাচ্ছে ধোঁয়াশা তত বেড়েই চলেছে। সূত্র মতে, উপজেলা প্রকৌশলী নয়ন রায়ের যোগসাজশে প্রকল্পটি সম্পূর্ণ না করেই বিল প্রদান করা হয়েছে।

সরেজমিন খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এডিটি প্রকল্পের আওতায় ভরতখালী ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডে উল্যা জামে মসজিদের পাশ থেকে দারুন নাজাত কবরস্থান পর্যন্ত প্যালাসাইডিং এখন পর্যন্ত শুরু হয়নি। 

একইভাবে বিভিন্ন স্থানে নিম্নমানের কাজ সম্পন্ন করার অভিযোগ উঠেছে প্রকল্পটি বাস্তবায়নে। 

এ বিষয়ে কচুয়া ইউপি সদস্য নাজমুল হোদা বলেন, তার ওয়ার্ডে নির্মাণ করা প্যালাসাইডিংয়ে কাজ ঠিকমতো হয়নি। 

দায়সারা কাজ করেছে ঠিকাদার। একইভাবে ভরতখালী ইউনিয়নের সাকোয়া ওয়ার্ডে নির্মিত মোফাজ্জলের বাড়ি হতে মিলনের বাড়ি পর্যন্ত সিসি ঢালাই বিষয়ে মোফাজ্জল হোসেন বলেন, নিম্নমানের ইট, খোয়া ও বালু দিয়ে আমার বাড়ির সামনের এ রাস্তাটি নির্মাণ করা হয়েছে। 

শুধু তাই নয়, সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, এ অর্থবছরে সবচেয়ে বড় প্রকল্প সাঘাটা উপজেলার পাবলিক লাইব্রেরী, ৫৩ লাখ টাকা চুক্তিমূল্যের কাজটিও এখন পর্যন্ত সম্পন্ন হয়নি।

তথ্য মতে, প্রকল্পগুলো চুক্তি ও কার্যাদেশ প্রদান করা হয় ২০২৫ সালের ৪ জুন এবং কাজ শুরুর তারিখ ধরা হয় ৫ জুন। চুক্তি অনুযায়ী চলতি বছরের ৩০ জুনের মধ্যে কাজগুলো শেষ করার কথা থাকলেও বাস্তবে কাজ এখনো শুরু হয়নি বিভিন্ন জায়গায়। এ নিয়ে স্থানীয়দের ভেতর চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে। 

এ বিষয়ে সাঘাটা উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী নয়ন রায় বলেন, আমার জানামতে সব প্রকল্প শেষ হয়েছে। দুটি কাজ শেষ হয়নি। এ দুটির আংশিক ও বাকিগুলোর সম্পূর্ণ বিল প্রদান করা হয়েছে। তবে নিম্ন মানের কাজের বিষয়টি নিয়ে তিনি বলেন, ঠিকাদার সঠিকভাবে কাজ না করলে তার জামানত পাবে না। 

এ বিষয়ে ইউএনও মো. আশরাফুল কবীর বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। জনপ্রতিনিধি, স্থানীয়রা ও সচেতন মহল মনে করেন এডিপির মতো প্রকল্পে নিয়মমাফিক সমাপ্ত না হলে সরকারের উন্নয়ন ভাবমূর্তি প্রশ্নবিদ্ধ হবে।

ইএইচ

Link copied!