ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

কালবৈশাখীর তাণ্ডবে পেকুয়া-কুতুবদিয়ার লবণ মাঠ লণ্ডভণ্ড, কোটি টাকার ক্ষতির আশঙ্কা

পেকুয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি

পেকুয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি

এপ্রিল ৭, ২০২৬, ০৪:৩৯ পিএম

কালবৈশাখীর তাণ্ডবে পেকুয়া-কুতুবদিয়ার লবণ মাঠ লণ্ডভণ্ড, কোটি টাকার ক্ষতির আশঙ্কা

পেকুয়া ও কুতুবদিয়া উপজেলার বিস্তীর্ণ উপকূলীয় অঞ্চলে হঠাৎ বয়ে যাওয়া কালবৈশাখী ঝড় ও বৃষ্টিতে লবণের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

মঙ্গলবার ভোররাতের এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে মাঠভর্তি উৎপাদিত লবণ পানিতে মিশে যাওয়ায় নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন হাজার হাজার প্রান্তিক চাষি।

সরেজমিনে দেখা গেছে, পেকুয়ার মগনামা, রাজাখালী ও উজানটিয়া ইউনিয়নের চাষিরা বিষণ্ণ মনে লণ্ডভণ্ড হয়ে যাওয়া মাঠের দিকে তাকিয়ে আছেন। বৃষ্টির পানিতে প্লাস্টিক মোড়ানো জমিতে জমাট বাঁধা 'সাদা সোনা' খ্যাত লবণ গলে গেছে। এছাড়া লবণের 'বেড' বা কাই নষ্ট হয়ে যাওয়ায় নতুন করে উৎপাদন শুরু করতে আরও অন্তত এক সপ্তাহ সময় লাগবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

মগনামা শতঘোনা এলাকার লবণচাষী লিয়াকত আলী বলেন, মৌসুমের শেষ সময়ে লাভের আশায় দিনরাত পরিশ্রম করছিলাম। কিন্তু মাত্র এক ঘণ্টার বৃষ্টিতে কয়েক শ মণ লবণ পানিতে মিশে গেল। এখন আবার নতুন করে মাঠ তৈরি করা অনেক ব্যয়বহুল।

উজানটিয়ার মনজুর আলম জানান, লবণের বাজারমূল্য এমনিতেই কম, তার ওপর ঋণের টাকা শোধ করা নিয়ে এখন তিনি চরম দুশ্চিন্তায় রয়েছেন।

বিসিক কক্সবাজার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, চলতি ২০২৫-২৬ মৌসুমে দেশে লবণের জাতীয় চাহিদা ২৭ লাখ ১৫ হাজার মেট্রিক টন। এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে কক্সবাজার ও বাঁশখালীর প্রায় ৬৯ হাজার একর জমিতে ৪১ হাজারেরও বেশি চাষি নিয়োজিত রয়েছেন। এর মধ্যে পেকুয়ার রাজাখালী, মগনামা ও উজানটিয়াসহ বিস্তীর্ণ এলাকায় প্রায় ৯ হাজার ৫০০ একর জমিতে লবণ চাষ হয়, যেখান থেকে বছরে গড়ে ৩ লাখ মেট্রিক টনের বেশি লবণ উৎপাদিত হয়।

বিসিকের প্রাথমিক তথ্যমতে, এই বৃষ্টিতে পেকুয়া ও কুতুবদিয়ার কয়েক হাজার একর লবণ মাঠ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মাঠের লোনা পানি মিষ্টি হয়ে যাওয়ায় পুনরায় উৎপাদন শুরু করতে চাষিদের অতিরিক্ত শ্রম ও জ্বালানি ব্যয় করতে হবে। এতে জাতীয় লক্ষ্যমাত্রা অর্জন নিয়েও শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

চাষিরা জানান, প্রতি মণ লবণ উৎপাদনে ২৫০ থেকে ২৮০ টাকা খরচ হলেও বাজারে ন্যায্যমূল্য না পাওয়ায় তারা আগে থেকেই লোকসানে ছিলেন। বর্তমান দুর্যোগ তাদের জন্য 'মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা' হয়ে দাঁড়িয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত প্রান্তিক চাষিরা এই সংকট কাটিয়ে উঠতে সরকারের কাছে দ্রুত আর্থিক প্রণোদনা ও সহজ শর্তে ঋণের দাবি জানিয়েছেন।

জেএইচআর

Link copied!