ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬
কাপাসিয়ায় ৫ জনকে গলা কেটে হত্যা

পরকীয়া ও টাকা আত্মসাতের জিডি সম্পর্কে যা জানালেন গোপালগঞ্জ থানার ওসি

আমার সংবাদ ডেস্ক

আমার সংবাদ ডেস্ক

মে ৯, ২০২৬, ০৮:৩৩ পিএম

পরকীয়া ও টাকা আত্মসাতের জিডি সম্পর্কে যা জানালেন গোপালগঞ্জ থানার ওসি

গাজীপুরের কাপাসিয়ায় পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রী, তিন সন্তান ও শ্যালককে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় শোকের মাতম চলছে নিহদের গ্রামের বাড়ি গোপালগঞ্জে। শনিবার ভোরে কাপাসিয়ার রাউৎকোনা এলাকায় এ নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঘটে। নিহতরা সবাই গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার পাইককান্দি ইউনিয়নের বাসিন্দা।

ঘাতক ফোরকান মোল্লা (৪০) তার স্ত্রী শারমিন আক্তার (৩০), শ্যালক রসুল মোল্লা (১৮) এবং তিন কন্যাসন্তান- মিম আক্তার (১৪), হাবিবা (১০) ও ফারিয়াকে (২) গলা কেটে হত্যা করে পালিয়ে যায়। ঘটনার পর থেকেই পলাতক রয়েছে ফোরকান।

হত্যাকাণ্ডের পর লাশের পাশে একটি হাতে লেখা অভিযোগপত্র বা জিডির কপি পাওয়া যায়। সেখানে ফোরকান তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে পরকীয়া এবং শ্যালকের বিরুদ্ধে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ তুলেছিলেন। 

তবে গোপালগঞ্জ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আনিসুর রহমান জানিয়েছেন, লাশের পাশে পাওয়া জিডির কপিটি ভুয়া। এমন কোনো জিডি বা অভিযোগ গোপালগঞ্জ থানায় কেউ কখনও দায়ের করেনি। মূলত খুনি নিজেকে আড়াল করতে বা বিভ্রান্তি ছড়াতে এটি লিখে রেখে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, ফোরকান ও শারমিনের বিয়ের পর থেকেই দাম্পত্য কলহ চলছিল। পেশায় প্রাইভেটকার চালক ফোরকান মাস ছয়েক আগে পরিবার নিয়ে কাপাসিয়ায় ভাড়া বাসায় ওঠেন।

শুক্রবার ফোরকান তার শ্যালক রসুলকে চাকরির কথা বলে ডেকে নেয়। রাত ৮টার পর থেকেই সবার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। শনিবার ভোরে ফোরকান তার ভাইকে ফোন করে বলে, পরিবারের সবাইকে শেষ করে ফেলেছি, আমাকে আর খুঁজলে পাবি না। এরপরই হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি জানাজানি হয়।

গোপালগঞ্জে নিহত শারমিনের মা ফিরোজা বেগম সন্তানদের হারিয়ে বারবার মূর্ছা যাচ্ছেন। তিনি বিলাপ করে বলছিলেন, আমার বাজান হাসতে হাসতে বোনের বাসায় গেল, কে জানত এই যাওয়াই শেষ যাওয়া! নিহত শারমিনের বাবা একজন গ্রাম পুলিশ। অনেক কষ্ট করে সন্তানদের বড় করেছিলেন তিনি। এক সঙ্গে পরিবারের পাঁচ সদস্যকে হারিয়ে পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্বজনরা ঘাতক ফোরকানের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

জেএইচআর

Link copied!