ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬
রাকিবুল ইসলাম রাকিব

ছাত্রদল দোষ স্বীকার করে রাজনীতি করে

জবি প্রতিনিধি

জবি প্রতিনিধি

অক্টোবর ২৬, ২০২৫, ০৭:৪০ পিএম

ছাত্রদল দোষ স্বীকার করে রাজনীতি করে

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব বলেছেন, আমরা বলি না যে আমাদের শতভাগ নেতাকর্মী জুবায়েদ ও সাম্যের মতো নৈতিক চরিত্রের। কিছু খারাপ আছে, আমরা সেটা স্বীকার করে রাজনীতি করি।

রোববার বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদের মাঠে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এবং ছাত্রদল নেতা হাসিবুল ইসলামের অকাল মৃত্যু ও জুবায়েদ হোসেনের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান বক্তার বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।

রাকিব বলেন, আমরা সমাজে অবদান রাখা ব্যক্তিদের ভুলে যাই। তবে দোয়া মাহফিলের এই সংস্কৃতি ধরে রাখতে হবে। সবাইকে মনে রাখতে হবে, আমরা সত্যের পথে, নীতি-নৈতিকতার পথে থাকতে হবে। সর্বক্ষেত্রে অন্যায়ের প্রতিবাদ জানাতে হবে। জুবায়েদ হত্যার দিন স্থানীয়রা দেখেছে, যদি কোনো শিক্ষার্থীকে অন্যায়ভাবে হত্যা করা হয়, তাহলে শিক্ষার্থীরা তার প্রতিবাদ জানাবে। তবে স্থানীয়দের দ্বারা ক্ষতির সম্মুখীন না হয়, এটা নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, স্বল্প সময়ে ছাত্রদলের পদধারী নেতাকর্মীদের হত্যা করা হয়েছে। তারা বেঁচে থাকাকালীন ছাত্রদলের ওয়েল-অ্যাক্টিভিস্ট ছিলেন। আমরা দেখেছি, তাদের মৃত্যুর পর সবাই তাদের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে, কারণ তাদের নৈতিক চরিত্র ছিল উঁচু মানের। আমরা বলি না আমাদের শতভাগ নেতাকর্মী জুবায়েদ ও সাম্যের মতো, কিছু খারাপ আছে। কিছু বিপথগামী ছাড়া ছাত্রদলের সবাই নৈতিক চরিত্রের অধিকারী। আমরা সেটা স্বীকার করে রাজনীতি করি। আজকের দিন পর্যন্ত কেউ বলতে পারবে না আমরা অন্যায়কে প্রশ্রয় দিয়েছি। আমাদের কোনো সমর্থককে আমরা অস্বীকার করি না; পদ না থাকলেও তাদের স্বীকার করি।

যারা হত্যা ও গুমের শিকার হয়েছেন, তাদের স্মরণ করতে প্রশাসনকে আহ্বান জানিয়ে এবং জবি শাখা ছাত্রদলের প্রশংসা করে রাকিব বলেন, শাহাদাত বরণ করার পর প্রশংসা ছাড়াও তারা জীবিত অবস্থায়ও প্রশংসার দাবিদার। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল সর্বদা দাবিদার। চাঁদাবাজদের বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে বাসস্ট্যান্ড উচ্ছেদ করেছে।

এ সময় ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দীন নাসির বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ছাত্রদলের ১৪২ জন শহীদ হয়েছেন। কিন্তু জুলাই-পরবর্তী সময়ে সাম্য ও জুবায়েদের মতো নেতাকর্মীদের ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে। পারভেজ হত্যার পর প্রশাসন গড়িমসি করেছে।

আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন বলেন, জুবায়েদ ও হাসিবুলের এই দোয়া মাহফিলে একটি কবিতার লাইন মনে পড়ে যায়—“এমন জীবন তুমি করিবে গঠন, মরণে হাসিবে তুমি, কাঁদিবে ভুবন।” তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি। বাবা-মায়ের পরে শিক্ষক সমাজই শিক্ষার্থীদের দুঃখ-কষ্ট নেয়। কিন্তু মৃত্যু কষ্টের। আমরা যাদেরকে আঘাত করি না, তাদের মৃত্যু সভায় আমাদের উপস্থিত হতে হচ্ছে—যা অত্যন্ত কষ্টের।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রেজাউল করিম বলেন, হাসিব দেশকে স্বৈরাচারমুক্ত করার জন্য ভূমিকা রেখেছে। তার সেই লক্ষ্য পূরণ করতে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। একই সঙ্গে জুবায়েদের মৃত্যুর সঠিক বিচার নিশ্চিত করতে হবে। এতে তার আত্মা ও পরিবার সকলেই শান্তি পাবে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা ঘটবে না।

তিনি আরও বলেন, আমরা সকলের সহযোগিতায় এর দ্রুত প্রতিকার পেয়েছি। আমরা খবর পেয়েছি, এটি দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে দেওয়া হবে। আজ সকালেও আমরা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্বনামধন্য একজন উকিল নিয়োগের ফাইল তৈরি করেছি। আমরা নিয়মতান্ত্রিক যত উপায় আছে, সব দিক থেকে চেষ্টা করব, যাতে তাদের পরিবারের প্রত্যাশা অনুযায়ী সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করা যায়।

শাখা ছাত্রদলের সদস্য সচিব শামসুল আরেফিনের সঞ্চালনায় সভাপতিত্ব করেন আহ্বায়ক মেহেদী হাসান হিমেল। 

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. শেখ গিয়াস উদ্দীন, গবেষণা পরিচালক অধ্যাপক ড. ইমরানুল হকসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরাসহ জাতীয়তাবাদী যুবদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা। এছাড়াও হাসিবুল রহমান ও জুবায়েদ হোসেনের পরিবারের সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।

ইএইচ

Link copied!