ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

সাংবাদিক পান্নার জামিন শুনানিতে আরেক সাংবাদিক মারধরের শিকার

আদালত প্রতিবেদক

আদালত প্রতিবেদক

সেপ্টেম্বর ৪, ২০২৫, ০৬:৪৮ পিএম

সাংবাদিক পান্নার জামিন শুনানিতে আরেক সাংবাদিক মারধরের শিকার

সন্ত্রাস বিরোধী আইনের মামলায় গ্রেপ্তার সাংবাদিক মঞ্জুরুল আলম পান্নার জামিন শুনানির সময় সময় টিভির সাংবাদিক মোহাম্মদ সিয়ামকে এজলাসে থাকা কয়েকজন আইনজীবী মারধর করেছেন।

বৃহস্পতিবার বিকালে ঢাকার মহানগর হাকিম হাসিব উল্লাস পিয়াসের আদালতে এ ঘটনা ঘটে।

এর আগে গত ২৮ আগস্ট ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির এক আলোচনা সভা থেকে সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকী, সাংবাদিক পান্নাসহ ১৬ জনকে আটক করা হয়। পরদিন সন্ত্রাস বিরোধী আইনের মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে শাহবাগ থানা পুলিশ তাদের কারাগারে পাঠায়। বৃহস্পতিবার জামিন শুনানির দিন ধার্য থাকলেও আদালতে হাজির করা হয় কেবল সাংবাদিক পান্নাকে।

দুপুর ২টা ৫৫ মিনিটে সাংবাদিক পান্নাকে ঢাকার মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালতের অষ্টম তলায় ৩০ নম্বর এজলাসে নেওয়া হয়। এ সময় পান্নার কাছে দাঁড়িয়ে থাকা সাংবাদিক মুক্তাদির রশীদ সাংবাদিককে জিজ্ঞেস করেন, “ভাই, আপনাকে কি জেলের ভেতরে নির্যাতন করা হয়েছে?” সাংবাদিক পান্না জানান, “না।”

এরপর মুক্তাদির রশীদকে এজলাস থেকে বের হতে ধমক দিতে থাকেন আইনজীবী মহিউদ্দিন মাহি। এ সময় সিয়াম আইনজীবীকে আটকাতে গেলে মাহি আদালতের বেঞ্চ থেকে লাফ দিয়ে তার কানের ওপর ঘুষি মারে। এরপর মাহির সহযোগীরা তাকে টেনে হিঁচড়ে নিয়ে আসেন এবং চড়, থাপ্পড়, ঘুষি ও লাথিতে সিয়াম রক্তাক্ত হন। পরিস্থিতি দেখে বিচারক এজলাস থেকে নেমে যান।

পরবর্তী সময়ে প্রসিকিউশনের পক্ষে থাকা কাইয়ুম হোসেন নয়ন সিয়ামকে উদ্ধার করে সাক্ষীর কাঠগড়ার কাছে নিয়ে যান। এ সময় মুক্তাদির রশীদকেও এজলাস থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়।

পরবর্তীতে সিয়াম বলেন, “কোনো কারণ ছাড়া বিচারকের সামনে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা হয় বলে আমাকে মারধর করা হয়েছে। আমি এই ঘটনার বিচার চাই।”

বিচারক পরে এজলাসে ফিরে জামিন শুনানি শুরু করেন এবং লতিফ সিদ্দিকী ও সাংবাদিক পান্নার জামিন আবেদন নাকচ করেন।

আইনজীবী মহিউদ্দিন মাহি সাংবাদিক মারধরের ঘটনাকে ‘অনাকাঙ্ক্ষিত’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন এবং দাবি করেন, তিনি মারধরের সঙ্গে জড়িত নন।

ইএইচ

Link copied!