ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

আলমডাঙ্গায় বলাৎকারের অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষক আটক

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি:

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি:

জুন ২৩, ২০২৪, ১২:৩৮ পিএম

আলমডাঙ্গায় বলাৎকারের অভিযোগে মাদ্রাসা শিক্ষক আটক

আলমডাঙ্গায় হত্যার ভয় দেখিয়ে ১১ বছর বয়সী এক মাদ্রাসাছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় আব্দুস সালাম (৩৫) নামে এক মাদ্রাসা শিক্ষককে আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার (২৩ জুন) রাত সাড়ে ১০ টার দিকে উপজেলার জেহালা ইউনিয়নের ওই মাদ্রাসা থেকে তাকে আটক করা হয়।

আটকৃত আব্দুস সালাম উপজেলার জেহালা ইউনিয়নের আজিজুর উলুম কওমি মাদ্রাসা ও এতিমখানা লিল্লাহ বোর্ডিংয়ের শিক্ষক। সে উপজেলার বাড়াদি ইউনিয়নের অনুপনগর গ্রামের আমিরুল ইসলামের ছেলে।  

বিষয়টি জানাজানি হলে ওই মাদ্রাসা থেকে পালানোর চেষ্টা কালে অভিযুক্ত শিক্ষক আব্দুস সালামকে ধাওয়া করে গণধোলাই দিয়েছে স্থানীয়রা।  

শিশুর পরিবারের সদস্যরা জানান, বলাৎকারের শিকার শিশুটিকে দুই বছর আগে উপজেলার জেহালা ইউনিয়নের মুন্সিগঞ্জ এলাকার আজিজুর উলুম কওমি মাদ্রাসা ও এতিমখানা লিল্লাহ বোর্ডিংয়ে হেফজ শেখার জন্য ভর্তি করা হয়। গত ৭ মাস আগে ওই মাদ্রাসায় আব্দুস সালাম শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। তিনি বিভিন্ন সময় ওই শিশুকে কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন। এরমধ্যে ঈদুল আজহার ছুটি চলে আসে। এ সুযোগে (১২ জুন) বুধবার রাতে ওই শিশুকে হত্যার হুমকি দিয়ে মাদ্রাসার এক কোনে তাকে জোরপূর্বক বলাৎকার করে। বিষয়টি কাউকে জানালে প্রাণে মেরে ফেলার ভয় দেখালে শিশুটি নীরব থাকে।  

গতকাল শনিবার বিকেলে নিজ বাড়ি থেকে ওই শিশুকে মাদ্রাসায় পাঠানোর চেষ্টা করে পরিবারের সদস্যরা। সে মাদ্রাসা যেতে রাজি হয় না। পরিবারের সদস্যরা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে শিশুটি ঘটনাটি তার মাকে খুলে বলে।

শিশুটির পিতা বলেন, ‘ছেলে ঈদুল আজহার ছুটি মাদ্রাসা থেকে ঘরে এসে জানায়, সে শারীরিকভাবে অসুস্থ এবং তার সারা শরীর ব্যথা। ব্যথার কারণ জিজ্ঞাসা করলে প্রথমে সে চুপ থাকে, পরে মাদ্রাসা যেতে চায় না। তাকে চাপ দিলে বাধ্য হয়ে ঘটনার বিস্তারিত খুলে বলে।’

‘শনিবার রাতেই বিষয়টি নিয়ে ওই শিক্ষকের নিকট জানতে গেলে, সে দৌড়ে মাঠে পালিয়ে যাবার চেষ্টা করে। পরে তাকে ধাওয়া করে ধরা হয়। খবর পেয়ে আলমডাঙ্গা থানা ও মুন্সিগঞ্জ ফাঁড়ি পুলিশ উপস্থিত হলে তাদের নিকট সোপর্দ করা হয়। এ ঘটনায় শিশুর পিতা বাদি হয়ে আলমডাঙ্গা থানায় ধর্ষণ মামলার প্রস্তুতি চলছিল।’ 

এ বিষয়ে আলমডাঙ্গা থানার পরিদর্শক (ওসি) শেখ গণি মিয়ার মোবাইলে যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। তবে মুন্সিগঞ্জ ক্যাম্পের টু আইসি এ এসআই ইকবাল হোসেন জানান, বলাৎকারের ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে থানায় ধর্ষণ মামলার দায়ের করা হবে।

বিআরইউ

Link copied!