ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

শিবচরে বৃদ্ধাকে গলা কেটে হত্যা: আসামি গ্রেপ্তার

শিবচর (মাদারীপুর) প্রতিনিধি

শিবচর (মাদারীপুর) প্রতিনিধি

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৫, ০৪:৫৫ পিএম

শিবচরে বৃদ্ধাকে গলা কেটে হত্যা: আসামি গ্রেপ্তার

মাদারীপুরের শিবচর উপজেলার উমেদপুর ইউনিয়নের কাঁচিকাটা এলাকায় রানু বেগম (৬০) নামে এক বৃদ্ধাকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় রাসেল মাহমুদ সবুজ (৩০) নামে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-৮।

বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে শিবচরের পাঁচ্চর চরকান্দি এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। 

তিনি ঢাকার শেওড়াপাড়া এলাকার মৃত কাজী কেরামত আলীর ছেলে। রাসেল নিহত রানু বেগমের ঘরের একটি কক্ষে ভাড়া থাকতেন। 

শুক্রবার র‌্যাবের পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

র‌্যাব জানায়, প্রায় ৯ মাস আগে রাসেল রানু বেগমের ঘরের একটি কক্ষ ভাড়া নেন। কিছুদিন পর ঘরে চুরির ঘটনা ঘটলে রানু বেগম তাকে সন্দেহ করেন। এ নিয়ে উভয়ের মধ্যে মনোমালিন্য তৈরি হয় এবং রাসেলের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ জন্ম নেয়। এই ক্ষোভ থেকেই গত ২১ সেপ্টেম্বর রাত ১১টার দিকে তিনি রান্নাঘরে অবস্থান নেন। পরে সুযোগ বুঝে সকালে রানু বেগমের শয়নকক্ষে ঢুকে ধারালো কাঁচি দিয়ে হাতে ও গলায় আঘাত করে তাকে হত্যা করেন। এরপর ঘরে থাকা দুটি মোবাইল ফোন, কানের দুল, রাইস কুকার, কাপড়-চোপড় ও নগদ টাকা লুট করে পালিয়ে যান। জিজ্ঞাসাবাদে রাসেল এসব তথ্য স্বীকার করেন এবং জানান, লুটকৃত কানের দুল ও একটি মোবাইল ফোন ইতোমধ্যে বিক্রি করেছেন।

উল্লেখ্য, গত সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রানু বেগমের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। তিনি স্থানীয় মৃত সাদেক হাওলাদারের স্ত্রী এবং ঘরে একা থাকতেন। তার একমাত্র ছেলে চাকরির সুবাদে ঢাকায় পরিবারের সঙ্গে থাকেন। ঘটনার দিন সকালে মায়ের সঙ্গে যোগাযোগ না পেয়ে ছেলে প্রতিবেশীদের জানান। তারা গিয়ে বাইরে থেকে ঘর তালাবদ্ধ অবস্থায় দেখতে পান এবং জানালা দিয়ে রক্তাক্ত দেহ বিছানায় পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেন। পরে নিহতের ছেলে খোকন হাওলাদার অজ্ঞাতনামা আসামি করে শিবচর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

র‌্যাব-৮ এর কোম্পানি কমান্ডার মীর মনির হোসেন জানান, “মামলার পরপরই র‌্যাব ছায়া তদন্ত শুরু করে। গোপন সংবাদ ও তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় আমরা আসামিকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হই। এসময় নিহতের একটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। আসামি জিজ্ঞাসাবাদে ক্ষোভ থেকেই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে বলে স্বীকার করেছে।”

ইএইচ

Link copied!