লোহাগড়া (নড়াইল) প্রতিনিধি
অক্টোবর ২৪, ২০২৫, ০৬:৪৯ পিএম
নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার নলদী ইউনিয়নে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ৫ টন চাউল বিধি বর্হিভূতভাবে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় দুটি ডিলারের নামে স্থানীয় প্রশাসনের নজর রয়েছে।
শুক্রবার সকালে মাগুরা জেলার মোহাম্মদপুর থানার নোহাটা পুলিশ ক্যাম্প সূত্রে জানা যায়, নলদী ইউনিয়নের মিঠাপুর বাজারের ডিলার মো. হিমায়েত হোসেন ও নালিয়া বাজারের ডিলার কামরুজ্জামানের নিকট থেকে মিলন হোসেন নামে এক ধান ব্যবসায়ী চাল ক্রয় করে মাগুরা জেলার পথে নেওয়ার সময় নছিমনটি এলাকায় তল্লাশি চালানো হয়। এই সময় খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ৫ টন চাউল জব্দ করা হয় এবং মিলন হোসেইনকে নোহাটা পুলিশ ফাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়।
ডিলার কামরুজ্জামান সাংবাদিকদের বলেন, “সুবিধাভোগীদের আমি সঠিকভাবে চাল দিচ্ছি।”
তবে নালিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও ট্যাগ অফিসার সুবির কুমার দাশ সাংবাদিকদের জানান, তিনি সুষ্ঠুভাবে চাল বিতরণ করেন।
অপরদিকে, ডিলার হিমায়েত হোসেন বলেন, “১০ বছর আগে আওয়ামী লীগ কার্ড করা হয়েছে। সেই কার্ডে ধনী ব্যক্তিদের নাম আছে, যারা চাউল না নিয়ে কালোবাজারে বিক্রি করছে। আমার ভাবমূর্তি নষ্ট করার জন্য একটি মহল অপপ্রচার করছে।”
এ বিষয়ে লোহাগড়া উপজেলার ভারপ্রাপ্ত খাদ্য কর্মকর্তা মো. তাজউদ্দিনের সঙ্গে যোগাযোগ সম্ভব হয়নি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আবু রিয়াদ বলেন, “ঘটনাটি আমি শুনছি। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং ডিলারের লাইসেন্স বাতিল করা হবে।”
এই ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল সরবরাহ ব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
ইএইচ