ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

৩০ ঘণ্টা পরও সন্ধান মেলেনি শিশু সাজিদের

রাজশাহী ব্যুরো

রাজশাহী ব্যুরো

ডিসেম্বর ১১, ২০২৫, ০৬:৫৬ পিএম

৩০ ঘণ্টা পরও সন্ধান মেলেনি শিশু সাজিদের

রাজশাহীর তানোরে অগভীর নলকূপের জন্য খোঁড়া গর্তে পড়ে যাওয়া শিশুটিকে জীবিত ফিরে পেতে ৪২ ফুট গর্ত করা হয়েছে। এরপরও সন্ধান মেলেনি দুই বছর বয়সী ওই শিশু সাজিদের। ফলে কান্না থামছে না পরিবার ও স্থানীয়দের।

বুধবার দুপুর ১টা থেকে আজ বৃহস্পতিবার ১১ ডিসেম্বর বিকেল সাড়ে ৫টায় এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত কোনো সন্ধান করতে পারেনি উদ্ধারকর্মীরা। তবে, ঘটনাস্থলে উদ্ধার অভিযানে ফায়ার সার্ভিসের আটটি ইউনিট ৩০ ঘণ্টা ধরে এখনও কাজ করছে বলে জানা গেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তানোর উপজেলার পাঁচন্দর ইউপির কোয়েলহাট পূর্বপাড়া গ্রামের প্রভাবশালী রাকিবুল ইসলাম গত বছর ভূ-গর্ভস্থ থেকে সেচের পানি তোলার জন্য অগভীর নলকূপ (মিনিডিপ) স্থাপনে গভীর কূপ খুঁড়েছিলেন। ৮ ইঞ্চি ব্যাসার্ধের ওই গভীর কূপ বা বোরিংয়ে পানির সন্ধান মেলেনি। পরে ভরাট না করে শুধু খড় দিয়ে সেটি ঢেকে রাখেন তিনি। ওই এলাকায় এ ধরণের ৭টি বোরিং করেছেন। কিন্তু শুধু দুটি বোরিংয়ে মটর স্থাপন করে পানি উত্তোলন করা সম্ভব হয়। অন্যসব বোরিং এভাবেই পড়ে রয়েছে। ঘটনার দিন ওই বোরিংয়ের পাশ দিয়ে মাঠে যাচ্ছিলেন মা রুনা খাতুন। পেছনে যাবার পথে গভীর কূপে শিশু সাজিত পড়ে যায়। তখন মা বলে চিৎকার দেয় শিশু সাজিত। এরপর পেছনে ফিরে দেখে সাজিত নেই। সরু গর্ত দিয়ে পাইপের গভীরে পড়ে গেছে। খবর পেয়ে গ্রামবাসী উদ্ধারের জন্য ছুটে আসে। সেখানে রাকিবুল ইসলামও দেখতে আসেন। পরে পরিস্থিতি খারাপ বুঝে গা ঢাকা দেন তিনি।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের পরিচালক (অপারেশনস) লেফটেন্ট কর্নেল তাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, "এ পর্যন্ত আমরা ৪০ থেকে ৪২ ফুট পর্যন্ত খুঁড়েছি, কিন্তু এখনও শিশুটিকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। আমরা এখনো সঠিক জায়গা শনাক্ত করতে পারছি না। শিশুটিকে না পাওয়া পর্যন্ত অভিযান চলবে। আমরা ধাপে ধাপে এগোচ্ছি। আরও ১০ ফুট গভীর পর্যন্ত খুঁড়তে চাই, তারপর পরিস্থিতি মূল্যায়ন করব।"

এর আগে তানোর ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তা আব্দুর রউফ বলেছিলেন, বুধবারে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট শিশুটিকে উদ্ধারের চেষ্টা চালিয়ে যায়। এখন আটটি ইউনিট কাজ করছে। শিশুটিকে সুস্থ ও অক্ষত অবস্থায় উদ্ধারের সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হচ্ছে। বিকেল ৫টা ৩০ মিনিট থেকে কয়েকটি এস্কেভেটর মেশিন গর্তের পাশেই সমান্তরাল রয়েছে। আরেকটি পথ খুঁড়ছে এবং দুটি ট্র্যাক্টর মাটি সরাচ্ছে। শিশুটিকে বাঁচিয়ে রাখতে গর্তের ভেতরে নিয়মিত অক্সিজেন সরবরাহ করা হচ্ছে।

তানোর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মাদ শাহিনুজ্জামান বলেন, "বুধবার দুপুর ১টার দিকে দুই বছরের একটি শিশু খুবই সরু পরিত্যক্ত একটি গর্তে পড়ে যায়। উদ্ধার অভিযান চলছে। সংবাদ পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে এসে স্থানীয়দের সহযোগিতায় খনন কাজ শুরু করে।"

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, কোয়েলহাট গ্রামে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর অনেক কমে গেছে। গ্রামের প্রভাবশালী রাকিবুল ইসলাম ভূ-গর্ভস্থ থেকে সেচের পানি তোলার জন্য অগভীর নলকূপ (মিনিডিপ) স্থাপনে ওই গভীর কূপ খুঁড়েছিলেন। কিন্তু পানির স্তর না পেয়ে গর্তটি খড় দিয়ে ঢেকে রেখেছিলেন। কিন্তু বৃষ্টিতে মাটি বসে গিয়ে পুরনো গর্তটি আবার বের হয়ে আসে।

ইএইচ

Link copied!