ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

সাভারে বড় ধরনের ডাকাতির প্রস্তুতি, অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার ৮

আলী রেজা রাজু, সাভার (ঢাকা)

আলী রেজা রাজু, সাভার (ঢাকা)

জানুয়ারি ৩০, ২০২৬, ০৫:৩৯ পিএম

সাভারে বড় ধরনের ডাকাতির প্রস্তুতি, অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার ৮

সাভারে ভোরের অন্ধকারে বড় ধরনের একটি ডাকাতির ছক কষছিল ১৫-১৬ জনের এক সংঘবদ্ধ ডাকাত চক্র। শিল্পাঞ্চল ঘেঁষা এলাকায় তাদের টার্গেট থাকলেও শেষ পর্যন্ত সেই পরিকল্পনা নস্যাৎ করে দিয়েছে পুলিশ। বিশেষ অভিযানে দেশীয় অস্ত্রসহ চক্রের ৮ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

শুক্রবার ভোর সাড়ে ৩টার দিকে সাভার মডেল থানাধীন বিরুলিয়া ইউনিয়নের কালিয়াকৈর এলাকার গোল্ডস্টার গার্মেন্টস সংলগ্ন একটি বাঁশঝাড় থেকে তাদের আটক করা হয়।

অভিযান ও গ্রেপ্তার: সাভার মডেল থানা পুলিশ জানায়, ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমানের নির্দেশনায় ওই এলাকায় একটি বিশেষ অভিযান চালানো হয়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাতরা ছত্রভঙ্গ হয়ে পালানোর চেষ্টা করে। পরে ধাওয়া দিয়ে ঘটনাস্থল থেকেই ৮ জনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় পুলিশ। তবে অন্ধকারের সুযোগ নিয়ে চক্রের আরও ৭-৮ জন সদস্য পালিয়ে যায়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন— মো. সানি মিয়া (৩৫), মো. রাসেল মিয়া (৩২), মো. রিপন মিয়া (৩৩), মো. শাহিন মিয়া (৩১), মো. মাসুদ রানা (৩১), মো. সোহাবান মিয়া (২৩), মো. নুর নবী (২৭) ও মো. ইমন মিয়া (২৫)।

উদ্ধারকৃত অস্ত্র: পুলিশি তল্লাশিতে গ্রেপ্তারকৃতদের হেফাজত থেকে ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত ২টি লোহার দা, ১টি লোহার ছুরি, ১টি স্টিলের তৈরি চাইনিজ কুড়াল এবং ৩টি সুইচ গিয়ার চাকু উদ্ধার করা হয়।

পুলিশের বক্তব্য: সাভার মডেল থানার পুলিশ জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃতরা স্বীকার করেছে যে, তারা দীর্ঘদিন ধরে সাভারের বিভিন্ন এলাকা ও মহাসড়কে ডাকাতি করে আসছিল। এ ঘটনায় সাভার মডেল থানায় ‘ডাকাতির প্রস্তুতি’ আইনে একটি মামলা করা হয়েছে।

উদ্বেগ ও জননিরাপত্তা: সাভারের শিল্পাঞ্চল ও মহাসড়কগুলোতে সাম্প্রতিক সময়ে সংঘবদ্ধ অপরাধীদের তৎপরতা বাড়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ ছিল। পুলিশের এই সফল অভিযানকে বড় ধরনের একটি অপরাধ প্রতিরোধ হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনাই এখন পুলিশের বড় চ্যালেঞ্জ।

জেএইচাআর

Link copied!