ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

কবিরাজি চিকিৎসা নিতে গিয়ে গৃহবধূকে ধর্ষণ: কবিরাজের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

মেহেরপুর প্রতিনিধি

মেহেরপুর প্রতিনিধি

ফেব্রুয়ারি ৩, ২০২৬, ০৫:১৬ পিএম

কবিরাজি চিকিৎসা নিতে গিয়ে গৃহবধূকে ধর্ষণ: কবিরাজের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

একটি সন্তানের আশায় কবিরাজি চিকিৎসা নিতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন এক গৃহবধূ। মেহেরপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল অভিযুক্ত কবিরাজ মুজা শেখ ওরফে মুজা কবিরাজকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন। একই সঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

মঙ্গলবার দুপুরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিজ্ঞ বিচারক আলী মাসুদ শেখ এই রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত মুজা কবিরাজ মেহেরপুর সদর উপজেলার পিরোজপুর শেখপাড়ার মৃত হযরত আলীর ছেলে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ২০২১ সালে চুয়াডাঙ্গা জেলার দর্শনার চিতল গ্রামের এক নিঃসন্তান দম্পতি দীর্ঘদিন সন্তান না হওয়ায় কবিরাজ মুজা শেখের কাছে চিকিৎসা নিতে আসেন। চিকিৎসার এক পর্যায়ে একই বছরের ৮ মার্চ মুজা কবিরাজ ভুক্তভোগীকে তার বাড়িতে আসতে বলেন। ভুক্তভোগী গৃহবধূ ও তার স্বামী তার বাড়িতে আসলে কবিরাজ তাদের ঘরের মধ্যে অপেক্ষা করতে বলেন। একপর্যায়ে তিনি ভুক্তভোগীর স্বামীর ওষধে চেতনানাশক যোগ করে তাকে অজ্ঞান করে গৃহবধূকে ধর্ষণ করেন।

ভুক্তভোগীর স্বামীর জ্ঞান ফিরলে তারা বিষয়টি মেলে ধরেন এবং ভুক্তভোগী নারী বাদি হয়ে মেহেরপুর সদর থানায় মামলা দায়ের করেন। পুলিশ তদন্ত শেষে ঘটনাটি সত্য প্রমাণিত হওয়ায় ২০২১ সালের ১৯ নভেম্বর মুজা কবিরাজকে আসামি করে চার্জশিট আদালতে জমা দেওয়া হয়।

মামলার তদন্ত, মেডিকেল রিপোর্ট ও ১৩ জন স্বাক্ষীর সাক্ষ্য প্রমাণ শেষে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০৩ (সংশোধিত) ৯/১ ধারায় আসামি মুজা কবিরাজকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।

মামলায় আসামের পক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাড. মিয়াজান আলী এবং রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ছিলেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাড. মোস্তাফিজুর রহমান তুহিন।

তিনি বলেন, "এই রায় সমাজে একটি বার্তা দেবে যে, ধর্মের দোহাই দিয়ে বা অপচিকিৎসার আড়ালে অপরাধ করা যাবে না। আমরা আসামির সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে পেরেছি। আশা করি এই রায়ের ফলে ভুক্তভোগী পরিবার ন্যায়বিচার পেয়েছে।"

এএন

Link copied!