ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬

রমজানের আনন্দ ফিকে করছে বাজারের উত্তাপ: দিশেহারা দিনাজপুরের সাধারণ মানুষ

দিনাজপুর প্রতিনিধি

দিনাজপুর প্রতিনিধি

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬, ০৪:১০ পিএম

রমজানের আনন্দ ফিকে করছে বাজারের উত্তাপ: দিশেহারা দিনাজপুরের সাধারণ মানুষ

পবিত্র রমজান মাসে দিনাজপুরের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে যেন ‘আগুন’ লেগেছে। ইফতারের অতিপ্রয়োজনীয় ছোলা থেকে শুরু করে নিত্যদিনের চাল-ডাল, সবজি ও মাংস-সবকিছুর দামই এখন সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে। ফলে ইবাদতে মগ্ন হওয়ার বদলে সাধারণ ক্রেতাদের বড় অংশই এখন দুশ্চিন্তায় দিন পার করছেন।

বুধবার দিনাজপুর শহরের বাহাদুর বাজার ও চক বাজারসহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, এক সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতিটি পণ্যের দাম বেড়েছে আশঙ্কাজনক হারে। ৮০ টাকার ছোলা ঠেকেছে ১০০ টাকায় এবং লেবুর হালি দ্বিগুণ হয়ে দাঁড়িয়েছে ৬০-৮০ টাকায়। এ ছাড়া খেজুরের দাম প্রকারভেদে বেড়েছে ৫০ থেকে ৪০০ টাকা পর্যন্ত।

কাঁচা সবজির বাজারেও অস্বস্তি কাটছে না। কাঁচা মরিচের দাম কেজিতে বেড়েছে ২০ টাকা। বেগুন ও শসার দামও এক লাফে ২০ টাকা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮০ টাকায়। মধ্যবিত্তের ভরসা ব্রয়লার মুরগি এখন ১৮০ টাকা কেজি। আর গরুর মাংসের দাম কেজিতে ৫০ টাকা বেড়ে ৭৫০ টাকায় পৌঁছানোয় সাধারণের পাতে মাংস ওঠা এখন বিলাসিতা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বাজার করতে আসা সাধারণ ক্রেতা তরিকুল ইসলাম জানান, যে হারে দাম বেড়েছে, তাতে পরিবারের সদস্যদের ইফতারের প্লেটে টান পড়বে। তাঁর মতো নূর নাহার বেগমের কণ্ঠেও ফুটে উঠেছে একই অসহায়ত্বের সুর। তাঁদের মতে, আয় না বাড়লেও ব্যয়ের এই ঊর্ধ্বগতি নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোর জন্য এক চরম পরীক্ষা।

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর জানায়, তারা বাজার নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত তদারকি ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করছে। তবে সাধারণ মানুষের দাবি, এই নজরদারি আরও জোরদার করতে হবে। অসাধু ব্যবসায়ীদের অতি মুনাফার লোভ সাধারণ মানুষের ধর্মীয় আবেগকে পণবন্দী করে ফেলছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

দিনাজপুরের সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা, প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপের মাধ্যমে সরবরাহ ব্যবস্থার সংকট দূর হবে এবং রমজানের বাকি দিনগুলোতে বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে। ইফতারের টেবিলে যেন পরিবারের সবার মুখে সামান্য তৃপ্তির হাসি ফুটে ওঠে, এমনটাই সবার কাম্য।

জেএইচআর

Link copied!