ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

তিস্তায় অবৈধ পাথর উত্তোলন বন্ধে ডিমলা প্রশাসনের সাঁরাশি অভিযান

ডিমলা (নীলফামারী) প্রতিনিধি

ডিমলা (নীলফামারী) প্রতিনিধি

ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২৬, ০৪:০৬ পিএম

তিস্তায় অবৈধ পাথর উত্তোলন বন্ধে ডিমলা প্রশাসনের সাঁরাশি অভিযান

নীলফামারীর ডিমলা উপজেলায় তিস্তা নদী থেকে অবৈধভাবে পাথর উত্তোলনের বিরুদ্ধে ফের সাঁরাশি অভিযান চালিয়েছে প্রশাসন। দিনব্যাপী এই যৌথ অভিযানে পাথর উত্তোলনে ব্যবহৃত ৫টি বোমা মেশিন, ৬টি ইঞ্জিনচালিত শ্যালো মেশিন এবং ১১টি ইঞ্জিনচালিত নৌকা ধ্বংস করা হয়েছে। পাশাপাশি বিপুল পরিমাণ যন্ত্রাংশ জব্দ করা হয়।

বৃহস্পতিবার দুর্গম নৌপথ পাড়ি দিয়ে উপজেলার টেপাখড়িবাড়ি ও খালিশা চাপানী ইউনিয়নের বার্নির ঘাট, তেলীর বাজার, তিস্তা বাজার এবং চরখড়িবাড়ি এলাকায় এই অভিযান পরিচালিত হয়। 

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে প্রশাসনের বাধা-নিষেধ উপেক্ষা করে একটি প্রভাবশালী চক্র তিস্তা নদীর অভ্যন্তরে নির্বিচারে পাথর উত্তোলন করে আসছিল।

ডিমলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইমরানুজ্জামানের নেতৃত্বে এই অভিযানে সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রওশন কবির এবং বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ-এর (বিজিবি) রংপুর ব্যাটালিয়ন, ডিমলা থানা পুলিশ ও আনসার ভিডিপি সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইমরানুজ্জামান বলেন, অবৈধ পাথর উত্তোলনের বিরুদ্ধে প্রশাসন ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিতে রয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং কাউকে বিন্দুমাত্র ছাড় দেওয়া হবে না বলে তিনি হুঁশিয়ারি দেন। প্রশাসনের দাবি, বর্তমানে নিয়মিত নজরদারি জোরদার করা হয়েছে এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ অনুযায়ী, অবৈধ পাথর উত্তোলনের ফলে তিস্তার ভাঙন ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। গত বর্ষায় ডিমলা উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের মধ্যে অন্তত ৬টিতে তীব্র নদীভাঙন দেখা দেয়। বিশেষ করে খালিশা চাপানি ইউনিয়নের ছোট খাতা সুপরিটরি গ্রামে শত শত একর আবাদি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে নতুন চ্যানেল সৃষ্টি হয়েছে, যার ফলে বহু পরিবার ঘরবাড়ি হারিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে।

প্রতিবছর বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) নদীভাঙন রোধে শত শত কোটি টাকা ব্যয় করলেও কাঙ্ক্ষিত সুফল মিলছে না বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিজ্ঞ মহলের মতে, অবৈধ পাথর উত্তোলন বন্ধে কার্যকর ও সমন্বিত উদ্যোগ না থাকলে নদী রক্ষা প্রকল্পগুলোও ঝুঁকির মুখে পড়বে।

যন্ত্র ধ্বংস ও জব্দের পরও কেন সিন্ডিকেটের কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ হচ্ছে না এমন প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা। তাদের মতে, অভিযানের পাশাপাশি ধারাবাহিক নজরদারি, আর্থিক জবাবদিহিতা ও কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিশ্চিত না হলে তিস্তা রক্ষা সম্ভব নয়। তবে প্রশাসনের এই কঠোর অবস্থানকে সাধারণ মানুষ ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন।

জেএইচআর

Link copied!