শিমুল হাছান, ফরিদগঞ্জ (চাঁদপুর)
মার্চ ১২, ২০২৬, ০৪:৩৯ পিএম
চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে গৃদকালিন্দিয়া হাজেরা হাসমত বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে সাংবাদিক লাঞ্ছনার অভিযোগের তদন্ত করতে গিয়ে অপদস্থ হওয়ার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোস্তফা কামালের বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার দুপুরে কলেজ মিলনায়তনে তদন্ত চলাকালে এই ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, এইচএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগের তথ্য সংগ্রহ করতে গত ৩ মার্চ ওই কলেজে যান সাংবাদিক শাকিল হাসান ও মো. ফাহাদ। অভিযোগ রয়েছে, সে সময় কলেজের শিক্ষক মফিজুল ইসলাম ভূঁইয়া উত্তেজিত হয়ে সাংবাদিক শাকিল হাসানের মোবাইল ফোন ছুড়ে মারেন এবং তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেন।
এ ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সেটু কুমার বড়ুয়ার কাছে লিখিত অভিযোগ দিলে তিনি মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোস্তফা কামালকে তদন্তের দায়িত্ব দেন। গত ৯ মার্চ অভিযুক্ত শিক্ষক তদন্তে উপস্থিত না হওয়ায় পুনরায় ১২ মার্চ তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছিল।
বৃহস্পতিবার তদন্ত কার্যক্রম শুরু করতে গেলে অভিযুক্ত শিক্ষক ও কলেজের স্বঘোষিত ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মফিজুল ইসলাম ভূঁইয়া আপত্তি জানান। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, তিনি তদন্ত কর্মকর্তাকে উদ্দেশ্য করে বলেন, ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ডিসি পদমর্যাদার। তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত করতে হলে সমমর্যাদার কর্মকর্তা প্রয়োজন।
এ সময় তিনি তদন্ত কর্মকর্তাকে মানহানির মামলার হুমকিও দেন বলে অভিযোগ উঠেছে। একপর্যায়ে তিনি তদন্তে অংশ না নিয়েই স্থান ত্যাগ করেন।
ফরিদগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেটু কুমার বড়ুয়া বলেন, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার তদন্ত করার পূর্ণ এখতিয়ার রয়েছে। অভিযুক্ত ব্যক্তি যেহেতু তদন্তে অসহযোগিতা করেছেন, তাই বিষয়টি বোর্ডসহ ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জেএইচআর