ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

রানা প্লাজা থেকে বেঁচে ফেরা নাসিমার পদ্মায় বাসডুবিতে মৃত্যু

আমার সংবাদ ডেস্ক

আমার সংবাদ ডেস্ক

মার্চ ২৮, ২০২৬, ১০:৪২ এএম

রানা প্লাজা থেকে বেঁচে ফেরা নাসিমার পদ্মায় বাসডুবিতে মৃত্যু

২০১৩ সালের ভয়াবহ রানা প্লাজা ধস থেকে অলৌকিকভাবে বেঁচে ফিরেছিলেন দিনাজপুরের পার্বতীপুর উপজেলার নাসিমা বেগম (৪০)। তবে জীবনের সেই লড়াই শেষ পর্যন্ত থেমে গেল রাজবাড়ীর দৌলতদিয়ায় পদ্মা নদীতে বাসডুবির মর্মান্তিক দুর্ঘটনায়। এমনকি ফেরার পথে কুষ্টিয়ায় তাঁর মরদেহবাহী গাড়িটিও আবারও দুর্ঘটনার কবলে পড়ে।

পারিবারিক সূত্র জানায়, গত ২৫ মার্চ (বুধবার) বিকেলে নাসিমা তাঁর অন্তঃসত্ত্বা ভাগনি আজমিরা খাতুন, ভাগনির স্বামী আব্দুল আজিজ আজাদ এবং চার বছরের শিশু আব্দুর রহমানকে নিয়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দেন। দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া ফেরিঘাট এলাকায় পৌঁছালে তাঁদের বহনকারী বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মা নদীতে পড়ে যায়। দুর্ঘটনার পর আব্দুল আজিজকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হলেও প্রায় ছয় ঘণ্টা পর নাসিমাসহ বাকি তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিস ও নৌ-পুলিশ।

মর্মান্তিক এই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই নিহতদের মরদেহ নিয়ে ফেরার পথে কুষ্টিয়া এলাকায় অ্যাম্বুলেন্সটি আবারও দুর্ঘটনার শিকার হয়। নাসিমার ভাই জুলফিকার আলী ভুট্টু জানান, এই দুর্ঘটনায় বড় কোনো ক্ষয়ক্ষতি না হলেও স্বজনদের মধ্যে নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। 

শুক্রবার জুমার নামাজের পর পারিবারিক কবরস্থানে তাঁদের দাফন সম্পন্ন হয়েছে।

স্বজনরা স্মৃতিচারণ করে বলেন, রানা প্লাজা ধসের সময় নাসিমা ওই ভবনেই কর্মরত ছিলেন। ধ্বংসস্তূপের নিচে টানা তিন দিন আটকে থাকার পর তাঁকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছিল। দীর্ঘদিন গ্রামে থাকার পর স্বামীর মৃত্যুর কারণে জীবিকার তাগিদে আবারও ঢাকায় ফিরছিলেন তিনি। কিন্তু সেই যাত্রাই তাঁর জীবনের শেষ যাত্রা হয়ে দাঁড়াল।

পার্বতীপুর মডেল থানার ওসি আ. ওয়াদুদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, নিহতের বাড়িতে গিয়ে পরিবারের খোঁজখবর নেওয়া হয়েছে। এছাড়া পার্বতীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাদ্দাম হোসেন জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিহতের পরিবারকে ২৫ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছেন।

জেএইচআর

Link copied!