ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

চাঁদপুরে পাউবোর নির্মাণ কাজ নিয়ে বিভ্রান্তিমূলক তথ্য প্রচারের অভিযোগ

চাঁদপুর প্রতিনিধি

চাঁদপুর প্রতিনিধি

এপ্রিল ১৫, ২০২৬, ০৭:৪৪ পিএম

চাঁদপুরে পাউবোর নির্মাণ কাজ নিয়ে বিভ্রান্তিমূলক তথ্য প্রচারের অভিযোগ

চাঁদপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের ৮ কোটি টাকার ফেরো সিমেন্ট স্ল্যাব নির্মাণকাজে অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয়ে বিভ্রান্তিমূলক প্রচারণার অভিযোগ উঠেছে। যারা বিষয়টি নিয়ে প্রচারণায় নেমেছেন, তারা যথাযথ তথ্য না দিয়ে ব্যক্তিকে আক্রমণ করেছেন। এ বিষয়ে জাহাঙ্গীর হোসেন নামে এক উপ-সহকারী প্রকৌশলী তথ্য বিভ্রান্তিকর এবং বিষয়টি ভিত্তিহীন বলে গণমাধ্যমকে অবহিত করেন।

জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, মূলত টেন্ডারবঞ্চিত একটি অসাধু ঠিকাদার চক্র এবং বিগত সরকারের সুবিধাভোগী সিন্ডিকেট পরিকল্পিতভাবে এই গুজব ছড়িয়েছে। ঘটনাস্থল নিয়ে বিভ্রান্তি ও প্রকৃত সত্য হচ্ছে—গত কয়েকদিন ধরে দাবি করা হচ্ছিল যে, মতলব উত্তরের ফরাজীকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে পাউবোর প্রকল্পের স্ল্যাব নির্মাণে অনিয়ম হচ্ছে।

এই বিষয়ে সরেজমিন পরিদর্শন, দাপ্তরিক নথিপত্র এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের বক্তব্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, ফরাজীকান্দি মাঠে বর্তমানে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কোনো প্রকল্পের কাজই চলমান নেই। পাউবোর যে ৮ কোটি টাকার প্রকল্পের কথা বলা হচ্ছে, তার অবস্থান ফরাজীকান্দি থেকে প্রায় ৩০-৩৫ কিলোমিটার দূরে মতলবের কালীপুর এলাকায়। একটি দূরবর্তী স্থানের ব্যক্তিগত কর্মকাণ্ডকে সরকারি বড় প্রকল্পের সঙ্গে গুলিয়ে ফেলে জনমনে বিভ্রান্তি ছড়ানো হয়েছে।

ফরাজীকান্দি মাঠে যে স্ল্যাবগুলো তৈরি হতে দেখা গেছে, সেগুলো কোনো সরকারি প্রকল্পের অংশ নয়। অনুসন্ধানে জানা যায়, সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারের উদ্ধৃত কাঁচামাল ব্যবহার করে আজিজ নামের এক ব্যক্তি তার ব্যক্তিগত প্রয়োজনে কিছু স্ল্যাব তৈরি করেছেন। যেহেতু এটি কোনো সরকারি বরাদ্দ বা টেন্ডারের কাজ নয় এবং স্থানটি পাউবোর অধিগ্রহণকৃত নয়, তাই এই বিষয়ে দাপ্তরিক অনুমোদনের কোনো বাধ্যবাধকতা ছিল না। পাউবো কর্তৃপক্ষও বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

মতলব উত্তর উপজেলার ফরাজীকান্দি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি এবং দশ গ্রাম পানি ব্যবস্থাপনা দলের সভাপতি ইয়াসিন মোল্লা এবং স্থানীয় বিএনপির নেতা গনি তপদার স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, এখানে বর্তমানে পাউবোর কোনো কাজ চলছে না। এখলাছপুর শাখার ফেরোসিমেন্টের কাজ অনেক আগেই শেষ হয়েছে। যদি সরকারি কোনো কাজ চলতো, তবে স্থানীয় তদারকি কমিটির সভাপতি হিসেবে আমরা অবশ্যই জানতাম। এটি কেবলই কুচক্রি মহলের অপপ্রচার।

সংশ্লিষ্ট নির্বাহী প্রকৌশলী ও উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী তদন্ত সাপেক্ষে জানিয়েছেন, ফরাজীকান্দিতে স্ল্যাব নির্মাণের সঙ্গে পাউবোর বা ৮ কোটি টাকার প্রকল্পের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কোনো সম্পর্ক নেই। এ বিষয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান আমির অ্যান্ড কোং-এর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা জানায়, ফরাজীকান্দি এলাকায় তাদের কোনো কাজ চলমান নেই এবং প্রকৌশলী জাহাঙ্গীর হোসেনের সঙ্গে তাদের কাজের কোনো সম্পৃক্ততা নেই।

তারা আরও বলেন, প্রকৌশলী যদি কোনো কাজে সঠিকভাবে তদারকি করেন, তাহলে অনেক সময় তার ওপর আঘাত আসে যার উৎকৃষ্ট উদাহরণ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রকৌশলীকে ঠিকাদারের মাধ্যমে বাঁশ দিয়ে পেটানোর ঘটনা। সুতরাং কারো ব্যক্তিস্বার্থে আঘাত লাগলেই সে অফিসের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়।

এদিকে উপ-সহকারী প্রকৌশলী জাহাঙ্গীর হোসেনের বদলির সঙ্গে এই ঘটনার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। নথিপত্র বলছে, তার বদলি একটি নিয়মিত সরকারি প্রশাসনিক প্রক্রিয়া।

এ বিষয়ে তিনি বলেন, “আমার আওতাধীন ফেরোসিমেন্ট স্ল্যাব তৈরির কাজ গত বছর নভেম্বরে শেষ হয়েছে এবং আমার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ কাল্পনিক ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। অসাধু ঠিকাদার চক্র অনৈতিক সুবিধা না পেয়ে জনমনে বিভ্রান্তি ছড়াতে এই মিথ্যার আশ্রয় নিয়েছে।”

এএন

Link copied!