ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

কেন্দুয়ায় জালিয়া হাওরের ফসল হুমকিতে, ঝুঁকিতে বেড়িবাঁধ

আশরাফ গোলাপ, কেন্দুয়া (নেত্রকোনা)

আশরাফ গোলাপ, কেন্দুয়া (নেত্রকোনা)

এপ্রিল ২০, ২০২৬, ০১:০৩ পিএম

কেন্দুয়ায় জালিয়া হাওরের ফসল হুমকিতে, ঝুঁকিতে বেড়িবাঁধ

নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার মোজাফরপুর ইউনিয়নের জালিয়া হাওরের বিস্তীর্ণ বোরো ফসল এবার হুমকির মুখে পড়েছে। বৈশাখ মাসে ফসল কাটার এই মাহেন্দ্রক্ষণে পাহাড়ি ঢল ও দুর্বল বেড়িবাঁধ নিয়ে চরম উদ্বেগের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন স্থানীয় হাজারো কৃষক।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বন্নির ফেরিঘাট থেকে জুগির খাল পর্যন্ত নির্মিত বেড়িবাঁধটির অবস্থা বর্তমানে অত্যন্ত নাজুক। সম্প্রতি পাহাড়ি ঢলের পানির চাপ বৃদ্ধি পাওয়ায় বাঁধটি যেকোনো সময় ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। বাঁধের এই ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থা দেখে কৃষকরা দিনরাত পাহারা দিলেও দুশ্চিন্তা কাটছে না। ফসল ঘরে তোলার ঠিক আগ মুহূর্তে এমন পরিস্থিতিতে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন হাওরপাড়ের মানুষ।

মোজাফরপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্রাক্তন চেয়ারম্যান জাকির হাসান বলেন, "পানির চাপ সামলাতে স্থানীয়দের সঙ্গে নিয়ে নিজস্ব উদ্যোগে বাঁধ মেরামত ও মজবুত করার কাজ চলছে। আমরা দ্রুত পানি প্রতিরোধের চেষ্টা করছি।" তবে এলাকাবাসীর অভিযোগ, প্রতিবছরই এমন সংকটের মুখে পড়তে হলেও দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয় না। তারা দ্রুত প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা উজ্জ্বল সাহা জানান, কেন্দুয়ার মূল শস্যভাণ্ডার হলো এই জালিয়া হাওর। পাহাড়ি ঢলের কারণে ইতোমধ্যে হাওরের ৮ হেক্টর জমি পানিতে তলিয়ে গেছে। তিনি বলেন, "আমরা কৃষকদের দ্রুত ধান কাটার পরামর্শ দিচ্ছি। আজ পর্যন্ত ৩০ হেক্টর জমির ধান কাটা শেষ হয়েছে। তবে পানি আরও বাড়লে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বহুগুণ বেড়ে যেতে পারে।" তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, এই বেড়িবাঁধ নির্মাণের মূল দায়িত্ব পানি উন্নয়ন বোর্ডের, তারাই জনগণের পাশে থেকে কার্যকর ভূমিকা পালন করবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, হাওরাঞ্চলের শস্যভাণ্ডার রক্ষায় দীর্ঘমেয়াদী এবং মজবুত বেড়িবাঁধ নির্মাণের কোনো বিকল্প নেই। অন্যথায় প্রতিবছরই কৃষকদের এমন অনিশ্চয়তা আর হাড়ভাঙা খাটুনির ফসল হারানোর আতঙ্কে থাকতে হবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে জালিয়া হাওরের বিশাল ধানক্ষেত এবার ঢলের পানিতে সম্পূর্ণ তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

জেএইচআর

Link copied!