ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

দুই মাসের বিরতি শেষ, রাতে নদীতে নামবেন জেলেরা

চাঁদপুর প্রতিনিধি

চাঁদপুর প্রতিনিধি

এপ্রিল ৩০, ২০২৬, ১০:৫৮ এএম

দুই মাসের বিরতি শেষ, রাতে নদীতে নামবেন জেলেরা

চাঁদপুরে পদ্মা-মেঘনা নদীতে জাটকা সংরক্ষণে মার্চ-এপ্রিল দুই মাস অভয়াশ্রম এলাকায় ইলিশসহ সব ধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ করে সরকার। নিষেধাজ্ঞার শেষে এখন মেঘনা পাড়ের জেলেরা ইলিশ ধরার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

বৃহস্পতিবার দিনগত রাত ১২টার পর থেকে জেলার অর্ধলক্ষাধিক জেলে মাছ ধরতে নদীতে নামবেন। যার ফলে জেলে পাড়াগুলো এখন সরগরম হয়ে উঠেছে। মৎস্য বিভাগ বলছে, এ বছর জাটকা সংরক্ষণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন হওয়ায় ইলিশ উৎপাদন বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে।

বুধবার বিকেলে সদর উপজেলার পুরান বাজার, রনাগোয়াল, দোকানঘর, বহরিয়া, হরিণা ঘাট এবং আনন্দ বাজার এলাকায় জেলে পাড়া ঘুরে জেলেদের ইলিশ ধরার প্রস্তুতি দেখা যায়। জেলেরা কেউ কেউ জাল মেরামত, মিস্ত্রিরা নৌকা মেরামত এবং অনেক জেলে মিলে নৌকা নদীতে নামাতে ব্যস্ত দেখা গেছে।

আনন্দ বাজার এলাকার জেলে মো. ইসমাইল হোসেন বলেন, সরকারি নিষেধাজ্ঞা মানলেও আমাদের সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হয়েছে। এখন আবার জাল-নৌকা প্রস্তুত করেছি নদীতে নামার জন্য।

বহরিয়া এলাকার জেলে খোরশেদ আলম বলেন, নৌকা-জাল মেরামত করতে ছোট নৌকা হওয়ায় প্রায় ৩০ হাজার টাকা ঋণ নিতে হয়েছে। এখন যদি ইলিশ পাওয়া যায়, ঋণ শোধ করা যাবে এবং সংসারও চলবে।

একই এলাকার জেলে ফারুক গাজী বলেন, ইলিশ পাওয়ার আশায় ঋণ করে নৌকা প্রস্তুত করেছি। আমার নৌকায় ৭ জন কাজ করে। ইলিশ পেলে আমাদের সংসার চলবে, না হলে কিস্তি নিয়ে বিপাকে পড়তে হবে। কারণ সরকারিভাবে যে খাদ্য সহায়তা দেওয়া হয়েছে, তাতে সংসার চলে না।

চাঁদপুর সদর উপজেলা জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা মির্জা ওমর ফারুক বলেন, নিষেধাজ্ঞার দুই মাসে চাঁদপুরের ৭০ কিলোমিটার অভয়াশ্রম এলাকায় আমরা দিন ও রাতে অভিযান পরিচালনা করেছি। যেসব জেলে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জাটকা ধরেছে, এমন প্রায় দুই শতাধিক জেলেকে জেল ও জরিমানা করা হয়েছে। তবে এই অভিযানের ফলে যেমন জাটকা রক্ষা হয়েছে, তেমনি জাতীয়ভাবে ইলিশ উৎপাদন বৃদ্ধি সহায়ক হবে।

তিনি আরও বলেন, জাটকা ধরা থেকে বিরত থাকা জেলেদের সরকার ৪ মাসে ৪০ কেজি করে মোট ১৬০ কেজি বিজিএফ চাল দিয়েছে। পাশাপাশি এ বছরই প্রথম জাটকাপ্রবণ এলাকার জেলেদের চালের পাশাপাশি অন্যান্য খাদ্য সহায়তাও দেওয়া হচ্ছে।

এএন

Link copied!