Amar Sangbad
ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৬ অক্টোবর, ২০২২, ২১ আশ্বিন ১৪২৯

‌‘শাওনের কপালে গভীর ক্ষত’

নিজস্ব প্রতিবেদক

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২২, ০৭:৪৭ পিএম


‌‘শাওনের কপালে গভীর ক্ষত’

যুবদল নেতা নিহত শহিদুল ইসলাম শাওনের কপাল ও মাথার পেছনে গভীর ক্ষত চিহ্ন মিলেছে। তবে এ ক্ষত চিহ্ন কিসের তা আরো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে জানাবে ডাক্তার।

আজ শুক্রবার (২৩ সেপ্টেম্বর) শাওনের মরদেহ হস্তান্তরের সময় সাংবাদিকদের এমন তথ্য দিয়েছেন তদন্তকারী কর্মকর্তা ঢামেক ফরেনসিক বিভাগের প্রভাষক ডা. জান্নাতুন নাঈম।

মুন্সিগঞ্জের মুক্তারপুরে পুলিশের সঙ্গে বিএনপির সংঘর্ষে আহত হবার পর মারা গেছেন জেলার মীরকাদিম যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক শহিদুল ইসলাম শাওন (২৬)।

শুক্রবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিকাল সোয়া ৩টার দিকে ময়নাতদন্ত শুরু করে বিকাল সোয়া ৪টার দিকে সম্পন্ন হয়। ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করতে লাগে ঘণ্টাখানেক। তদন্তের দায়িত্বে ছিলেন, ঢামেক ফরেনসিক বিভাগের প্রভাষক ডা. জান্নাতুন নাঈম।

ময়না তদন্ত শেষে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, আমরা কয়েকজন মিলে ময়না তদন্ত সম্পন্ন করেছি। নিহত শাওনের কপালে ও মাথার পেছনে গভীর ক্ষত চিহ্ন পাওয়া গেছে। তবে কিসের জন্য এই ক্ষত চিহ্ন হয়েছে তা আমরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছি। তার ক্ষত জায়গায় থেকে কিছু আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। সেগুলো পরীক্ষা করা হবে রিপোর্ট আসলে সঠিকভাবে বলা যাবে। এর আগে শাওনের সুরতহাল রিপোর্ট সম্পন্ন করেন শাহবাগ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) শহিদুল ইসলাম।

তিনি সুরতহাল রিপোর্টে উল্লেখ করেন, শাওনের কপালের ডান পাশে গভীর ক্ষত চিহ্ন ও মাথার পেছনে ডান পাশে গভীর ক্ষত চিহ্ন আছে। সেখান দিয়ে মগজ বেরিয়ে গেছে।

বৃহস্পতিবার রাত ৮টা ৪০ মিনিটে ঢামেক হাসপাতালে আইসিইউতে মারা যায় শাওন। খবর পেয়ে বিএনপি নেতারা ছুটে যান। এ সময় যুবদলের সভাপতি সুলতান সালাহ উদ্দিন টুকু দাবি করেন, পরিকল্পিতভাবে ঠান্ডা মাথায় শাওনকে হত্যা করা হয়েছে।

রাত পৌনে ৯টায় মারা গেছেন। অন্যদের বেলায় যা ঘটেছে তাতে সকালেই তদন্ত শেষে শাওনের মরদেহ পাবার কথা। কিন্তু দুপুর পর্যন্ত মরদেহ না পেয়ে সংবাদ সম্মেলনে আসেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্মমহাসচিব রিজভী আহম্মেদ। তিনি অভিযোগ করেন সরকারের নির্দেশে ঢামেকের দায়িত্বপ্রাপ্তরা মরদেহের তদন্ত করতে গড়িমসি করছে।  

মুন্সগঞ্জ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান রতন দাবি করেন, আইসিইউতে শাওন মারা গেছেন। তাকে প্রথমে পুলিশ গুলি করেছে পরে হাসপাতালে আনার পর পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। সরকারের ইশারায় মরদেহ দিতেও দেরি করেছে। তারা এখন ক্ষত চিহ্ন নিয়ে পরীক্ষায় নেমেছে। দিন শেষে তারা বলবে গুলির চিহ্ন ছিল না। এটা মানুষ আগেই বুঝতে পারে।

বিকালে রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সামনে নিহত শাওনের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। সেখান থেকে গ্রামের বাড়ি মুন্সিগঞ্জে নিয়ে যাওয়া হয়।

এবি

Link copied!