আমার সংবাদ ডেস্ক
জানুয়ারি ৪, ২০২৬, ০৪:৩৮ পিএম
আমীরে হিযবুল্লাহ ছারছীনা শরীফের পীর ছাহেব আলহাজ হযরত মাওলানা শাহ্ আবু নছর নেছারুদ্দীন আহমদ হুসাইন (মা.জি.আ.) বলেছেন, আম্বিয়ায়ে কেরাম তথা নবী-রাসূল (আ.) ব্যতিরেকে সমস্ত মানবকুল কম-বেশি গুনাহগার। কিন্তু গুনাহ থেকে পরিত্রাণের জন্য মহান আল্লাহর দরবারে অনুশোচনা করা ও মাগফিরাত কামনা করা একান্ত জরুরি। গুনাহের কাজের উপলব্ধি আসা মাত্রই গুনাহ থেকে নিজেকে ফিরিয়ে নিয়ে আসা ও পুনরায় গুনাহের কাজে লিপ্ত না হওয়ার ইচ্ছাকে তওবা বলা হয়। প্রতিটি মুমিন বান্দাকে একনিষ্ঠভাবে মহান আল্লাহর দরবারে তওবা করা অপরিহার্য কর্তব্য।
তিনি আরও বলেন, বান্দা যখন আল্লাহর নিকট নিজের কৃত গুনাহের জন্য লজ্জিত হয় ও অনুশোচনা করে, আল্লাহ তায়ালা তার রহমতের আনুকুল্যে বান্দাকে ক্ষমা করে দেওয়ার এখতিয়ার রাখেন। একজন বান্দা আল্লাহর নিকটে যখন খালেস অন্তরে তওবা করে, মহান আল্লাহ তার অতীতের গুনাহসমূহকে নেক দ্বারা পরিবর্তন করে দিয়ে থাকেন। পক্ষান্তরে যে ব্যক্তি তওবা করে না কিংবা মৌখিকভাবে তওবা করলেও বারবার গুনাহের কাজে লিপ্ত হয় এবং এটি তার গুনাহের অভ্যাসে পরিণত হয়, এমন ব্যক্তির তওবা আল্লাহ কবুল করেন না এবং ফলস্বরূপ তওবা বিহীন অবস্থায় মৃত্যুর মুখে পতিত হয়।
পীর ছাহেব কেবলা বলেন, রাসূল (সা.) সহ সমস্ত নবী-রাসূলগণ মাসুম তথা নিষ্পাপ ছিলেন। এতদসত্ত্বেও প্রিয় নবী (সা.) দৈনিক সত্তর বারের অধিক তওবা করতেন এবং সাহাবায়ে কেরামসহ উম্মতদেরকে তওবা করতে উৎসাহিত করতেন।
শনিবার রাতে ভোলা জেলা শহরের বাংলা স্কুল মাঠ প্রাঙ্গণে বাংলাদেশ জমইয়াতে হিযবুল্লাহ ভোলা জেলা শাখা কর্তৃক আয়োজিত ঈছালে ছাওয়াব মাহফিলে প্রধান অতিথির আলোচনায় হযরত পীর ছাহেব কেবলা একথা বলেন।
মাহফিলে অন্যান্যের মধ্যে আরও গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেন বাংলাদেশ জমইয়াতে হিযবুল্লাহর নায়েবে আমীর আলহাজ হযরত মাওলানা মির্জা নূরুর রহমান বেগ, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা মো. হেমায়েত বিন তৈয়্যেব এবং হযরত পীর ছাহেব কেবলার সফরসঙ্গী মাওলানা মো. মোহেব্বুল্লাহ আল মাহমুদ প্রমুখ।
পরিশেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করে হযরত পীর ছাহেব কেবলা দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।
ইএইচ