ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

পৌষের শেষে বেড়েছে বিক্রি

মো. নাঈমুল হক

জানুয়ারি ১৬, ২০২৪, ১২:০৯ এএম

পৌষের শেষে বেড়েছে বিক্রি
  • তীব্র শীতে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে ক্রেতা
  • ফুটপাতে বিক্রি ভালো হুডি, শপিংমলে বনটেক জ্যাকেট
  • নিম্নবিত্তের পছন্দ পাট্টা বাংলা কম্বলে  মধ্যবিত্তের ডলফিন
  • দোকানিরা সন্তুষ্ট নন, কারণ গত বছরের তুলনায় বিক্রি কম

গত কদিন ধরেই দেশজুড়ে শীতের তীব্রতা বেড়েছে। শীতের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে শপিংমল ও ফুটপাতে বেড়েছে শীতপোশাক বিক্রি। ফুটপাতে কানটুপি ও হাত-পায়ের মোজা বিক্রিও ভালো। একইসঙ্গে বেড়েছে মোটা গেঞ্জি, হুডি, জ্যাকেট ও বিভিন্ন ধরনের সোয়েটার বিক্রি। এর মধ্যে হুডির বিক্রি সবচেয়ে ভালো। নিম্নবিত্তরা কিনছেন ২০০-৬০০ টাকার মোটা কাপড় ও হুডি। আর মধ্যবিত্তের পছন্দ হাজার টাকার বনটেক জ্যাকেট। কম্বলের দোকানেও রয়েছে ক্রেতার ভিড়। আড়াইশ থেকে ৫০০ টাকার কম্বলে আগ্রহ নিম্নবিত্তের। 

মধ্যবিত্তরা কিনছেন তিন হাজার থেকে ছয় হাজারের ডলফিন কম্বল। তবে বিক্রি বাড়লেও বিক্রেতাদের মুখে হাসি কম। কারণ, গত মৌসুমের তুলনায় এবার বিক্রি কিছুটা কম।  

রাজধানীর নিউমার্কেটের ফুটপাত, চন্দ্রিমা সুপার মার্কেট, নুরজাহান মার্কেট, গুলিস্তানের কয়েকটি মার্কেট, মিরপুর, মতিঝিল এলাকার ফুটপাত ঘুরে এসব চিত্র দেখা গেছে। 

জানা যায়, প্রতিবার হেমন্ত শেষে শীতের আগমনী বার্তা থাকে। পৌষের শুরুতে জনজীবনে থাকে কাঁপন ধরানো শীত। কিন্তু ঋতুর পরিবর্তনে এবারের শীত এসেছে পৌষের শেষে। ফলে প্রতিবারের তুলনায় দেরিতেই বেড়েছে শীতের পোশাক বিক্রি। রাজধানীর মার্কেটগুলো ঘুরে দেখা যায়, ক্রেতার ভিড়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন দোকানিরা। শীতের কাপড় ও কম্বল বিক্রিতে ব্যস্ত তারা। বিক্রেতারা জানিয়েছেন, ক্রেতার পছন্দ অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের জ্যাকেটই বিক্রি করছেন তারা। এর মধ্য বনটেক জ্যাকেট সবচেয়ে ভালো বিক্রি হচ্ছে। এ ধরনের জ্যাকেটের দাম ৮০০ থেকে ১৫০০ টাকা। এছাড়া জিন্স জ্যাকেট ৬০০ থেকে ১৫০০, লেদার জ্যাকেট ৯০০ থেকে দুই হাজার, দুই হাজার থেকে তিন হাজারের মধ্যে চায়না জ্যাকেট, টোপেডর ৭০০ থেকে ১২০০, কুয়াশা জ্যাকেট ১২০০ থেকে দুই হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এসব জ্যাকেটে আগ্রহ বেশি মধ্যবিত্তের। নিম্ন-মধ্যবিত্তের আগ্রহ ৩০০ থেকে ৬০০ টাকার হুডিতে। এছাড়া ৫০০ থেকে এক হাজার টাকায় বিভিন্ন ধরনের সোয়েটারও বিক্রি হচ্ছে। 

ওয়েস্টার্ন ফ্যাশনের মালিক রিপন হোসেন বলেন, নভেম্বর ও ডিসেম্বরে বিক্রি খুবই কম হয়েছে। আমরা শীত বাড়ার দিকে তাকিয়ে আছি। গত কদিনের শীতে এখন ক্রেতা বেড়েছে। তবে গতবার এমন সময়ে আমাদের অর্ধেক বিক্রি হয়ে যেত। এবার সবে শুরু করেছি। এবার শীত দেরিতে আসায় ক্রেতা কম— এমনটা মনে হয় না। মানুষের হাতে এখন টাকা কম। টাকা থাকলে মানুষ এমনিতেও কাপড় কেনে।  

রংপুর থেকে ঢাকায় ডাক্তার দেখাতে এসেছেন আবুল কাশেম। ডাক্তার দেখানো  শেষে পরিবারের সবার জন্য কিনেছেন শীতের কাপড়। তিনি বলেন, গত কদিন ধরে আকাশে সূর্যের দেখা নেই। হঠাৎ করে ভয়াবহ শীত নামে। পুরোনো কাপড়ে এখন আর শীত মানছে না। তাই নতুন কাপড় কিনতে এসেছি। 

কম্বলের দোকানেও ক্রেতার ভিড় বেড়েছে। সবচেয়ে ভালো বিক্রি ৪৫০ থেকে ৮০০ টাকার গার্মেন্টস টু  কম্বলের। এছাড়া ২৫০-৪০০ টাকায় মিনহাজ কম্বল, ৫০০ থেকে ১০০০ টাকায় চায়না কম্বলও বিক্রি হচ্ছে।  তবে বিদেশি কম্বলের মধ্যে আড়াই হাজার টাকা থেকে পাঁচ হাজার টাকার ডলফিন কম্বলের চাহিদা বেশি। এছাড়া তিন হাজার থেকে ছয় হাজার টাকার চোলারন,  ছয় হাজার টাকার জিনেক্স, চার হাজার টাকার ডায়মন কিং, চার হাজার টাকার এলিগেন্স, তিন হাজার ৫০০ টাকার এরোমা, তিন হাজারের সুলতান কম্বল বিক্রি হচ্ছে ভালো।

পাইকারি কম্বলের দোকান ঘুরে জানা যায়, পাইকারি বাজারে ক্রেতার উপস্থিতি কম। নভেম্বর ও ডিসেম্বরে ভালো বিক্রি করেছেন তারা। তবে গতবারের তুলনায় বিক্রি অনেক কম হয়েছে। 

সাঈদ এন্টারপ্রাইজের বিক্রেতা ফারুক হোসেন বলেন, গতবারের তুলনায় এবার তিন ভাগের দুই ভাগ বিক্রি করতে পারিনি। মানুষ এখন খুব হিসাব করে চলছে। একটির বেশি দুটি কম্বল কিনতে চায় না। 

ফুটপাত এলাকা ঘুরে দেখা যায়, অধিকাংশই কানটুপি, হাত-পায়ের মোজা খুঁজছেন। শীতে এগুলোর চাহিদা ব্যাপক বেড়েছে। এছাড়া নিম্নবিত্তের মানুষ ২০০ থেকে ৬০০ টাকার মধ্যে মোটা ও হুডি খুঁজছেন। এখানে জ্যাকেটের বিক্রি অনেক কম। 

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ থেকে শীতের কাপড় কিনতে গুলিস্তান এসেছেন জাকির হোসেন। নিজের ও পরিবারের জন্য শীতের কাপড় পছন্দ করছেন। জাকির হোসেন বলেন, এবার নভেম্বর ও ডিসেম্বরে তেমন শীত পড়েনি। জানুয়ারির শুরু থেকে শীত কিছুটা বেড়েছে। গত কদিনে শীত বেশি ছিল। তাই পরিবারের জন্য গরম কাপড় কিনতে এসেছি।
 

Link copied!