Amar Sangbad
ঢাকা শনিবার, ০১ অক্টোবর, ২০২২, ১৬ আশ্বিন ১৪২৯

স্ত্রীর পরকীয়া প্রেম স্বামী দেখে ফেলায় লজ্জায় আত্মহত্যা

জাহিদ হাসান, মাদারীপুর প্রতিনিধি

জাহিদ হাসান, মাদারীপুর প্রতিনিধি

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২২, ০৫:৪৯ পিএম


স্ত্রীর পরকীয়া প্রেম স্বামী দেখে ফেলায় লজ্জায়  আত্মহত্যা

মাদারীপুর সদর উপজেলায় স্ত্রীর পরকীয়া প্রেম স্বামী দেখে ফেলায় লজ্জায় স্ত্রী আত্মহত্যা করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

গতকাল বিকেলে সদর উপজেলার কলেজ রোড এলাকার ভাড়া বাসায় ঘটনা ঘটে। নিহত সাবিহা বেগম(২২) কালকিনি উপজেলার পূর্ব এনায়েতনগর ইউনিয়নের ভবানীপুর গ্রামের বোরহান সরদারের মেয়ে। মৃত্যুর সময় সাবিহা বেগম ১৫ মাসের ইশিতা নামের একটি কন্যা শিশু রয়েছে।

এলাকাবাসীর ও নিহত সাবিহার স্বামীর অভিযোগে জানা যায়, কালকিনি উপজেলার পূর্ব এনায়েতনগর ইউনিয়নের মিয়ারহাট ভবানীপুর এলাকার রবিন ফারহান ও নিহত সাবিহা সৈয়দ আবুল হোসেন কলেজে দ্বাদশ শ্রেণিতে পড়া অবস্থায় প্রেমের সম্পর্কে জরিয়ে পড়েন। এই সম্পর্ক থাকার কারনে রবিন ফারহান সাবিহার কলেজ রোড এলাকার ভাড়াটিয়া বাসায় মাঝে মাঝে আসতো। সাবিহার স্বামী শুক্রবার বিকালে নামাজ শেষে যখন বাসায় আসলো তখন প্রেমিক রবিন ফারহান তার বাসা থেকে বের হন। আশা যাওয়া বিষয়টি দেখে আশপাশের প্রতিবেশীরা তার স্বামীকে বলে দেয়।

এই লজ্জায় সাবিহা ঘরের ফ্যানের সাথে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করে।

নিহত সাবিহা বেগমের স্বামী ইসমাইল সরদার বলেন, রবিন আমার স্ত্রীর সাথে অনৈতিক কাজ করে ঘর থেকে বের হওয়ার সময় আমার দেখা হয়।আমি এ কথা জিজ্ঞাসা করার কারনে আমার স্ত্রী লজ্জায় ফ্যানের সাথে ঝুলে আত্মহত্যা করেছে। আমি এই রবিন ফারহান এর ফাঁসি চাই।  

নিহত সাবিহার মা বলেন, রবিনের কারণে আমার মেয়ে আত্মহত্যা করেছে আমি রবিন এর ফাঁসি চাই।

স্হানীয় বাসিন্দা এসমোতারা বলেন, পরকীয়া প্রেমিকের কারণে আজ ১৫ মাসের শিশু মা হারা হয়েছে। আমরা প্রশাসনের কাছে এর ফাঁসি চাই।

তারপরে প্রতিবেশী সহযোগিতা হাসপাতালে নিয়ে আসার পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

মাদারীপুর সদর হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসা রোবায়েত ইবনে হাবিব বলেন, সাবিহা নামের এক রোগি হসপিটালে আসার পরেই তাকে আমরা মৃত্যু পেয়েছি।

এ বিষয় জানার পড়ে কথিত প্রেমিক রবিন ফারহান পলাতক আছে।

মাদারীপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মো. মনোয়ার হোসেন চৌধুরী জানান, এ ব্যাপারে প্রাথমিকভাবে আত্মহত্যার ধারণা করা হয়েছে। তদন্তের জন্য লাশটি মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়না তদন্তের রিপোর্ট পেলেই ঘটনার প্রকৃত সত্যতা পাওয়া যাবে।

এআই

Link copied!