ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

শতকোটি টাকার সরকারি জমি বিক্রি: দুদকের অভিযানের পর দলিল স্থগিত

আব্দুল্লাহ আল আমীন, ময়মনসিংহ

আব্দুল্লাহ আল আমীন, ময়মনসিংহ

আগস্ট ২৪, ২০২৫, ০৬:৩৩ পিএম

শতকোটি টাকার সরকারি জমি বিক্রি: দুদকের অভিযানের পর দলিল স্থগিত

ময়মনসিংহ নগরীর টাউন মৌজার পাটগুদাম রেলির মোড় এলাকায় ১/১ খতিয়ানের ৮৪ শতক সরকারি জমি মাত্র ৫ লাখ ৫০ হাজার টাকায় বিক্রির ঘটনায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।

চলতি বছরের ১ জুন সদর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে দলিল (নম্বর-৮৪৮৯) সম্পাদিত হয়। অথচ জমিটির বাজারমূল্য প্রায় শতকোটি টাকা।

রোববার দুপুরে ময়মনসিংহ সিনিয়র সহকারী জজ পবন চন্দ্র বর্মন বিতর্কিত এই দলিলের সম্পাদন ও রেজিস্ট্রেশন সাময়িকভাবে স্থগিতের আদেশ দেন। 

আদালতের আদেশে বলা হয়েছে, দলিল বাতিলের জন্য ছানি মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং পূর্ববর্তী ডিক্রি কার্যক্রমও স্থগিত রাখা হয়েছে।

এর আগে সকালে দুদকের সহকারী পরিচালক রাজু মোহাম্মদ সারোয়ার হোসাইনের নেতৃত্বে চার সদস্যের একটি দল তদন্তে নামে। তারা সাব-রেজিস্ট্রি অফিস, জুটমিল করপোরেশনের আঞ্চলিক কার্যালয় এবং জেলা জজ আদালতের নথিপত্র যাচাই-বাছাই করেন।

দুদকের সহকারী পরিচালক জানিয়েছেন, “তদন্তে দায়িত্ব অবহেলার প্রমাণ পেয়েছি। আদালত দলিল ও ডিক্রি স্থগিত করেছে। জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

সূত্র জানায়, জমিটি মূলত রেবতী মোহন দাসের মালিকানাধীন ছিল। ১৯৬৩ সালে এটি আদমজী জুট মিলস লিমিটেডের নামে হস্তান্তর হয়। পরবর্তীতে মিল বন্ধ হয়ে গেলে জমিটি সরকারি সম্পত্তি হিসেবে রেকর্ডভুক্ত হয়।

২০২২ সালে জেলা আওয়ামী লীগের পলাতক সাধারণ সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুলের নেতৃত্বে একটি চক্র জমিটি হাতিয়ে নিতে ষড়যন্ত্র শুরু করে। তাদের পরিকল্পনায় রবীন্দ্র মোহন দাস নামে এক ব্যক্তি নিজেকে রেবতী মোহন দাসের ছেলে দাবি করে মামলা (নং ৫১৪/২২) দায়ের করেন, যা ২০২৪ সালের মে মাসে আদালত খারিজ করে দেয়।

তবে মামলাটি খারিজ হওয়ার আগেই জনৈক মিরাশ উদ্দিন সুমনকে আমমোক্তারনামা দিয়ে নতুনভাবে মামলা দায়ের করা হয় এবং চলতি বছরের জুনে মাত্র ৫ লাখ ৫০ হাজার টাকায় জমি বিক্রির দলিল সম্পাদিত হয়।

অভিযোগ উঠেছে, এই দলিলে দাতা হিসেবে রবীন্দ্র মোহন দাসের নাম থাকলেও তার হয়ে স্বাক্ষর করেছেন সিনিয়র সহকারী জজ পবন চন্দ্র বর্মন। 

এতে আদালত, সাব-রেজিস্ট্রি অফিস ও সংশ্লিষ্টদের ভূমিকা নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

ইএইচ

Link copied!