ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

রংপুর জেলা বিএনপির সদস্যসচিব আনিছুর রহমান লাকু মারা গেছেন

সুজন আহম্মেদ, রংপুর

সুজন আহম্মেদ, রংপুর

অক্টোবর ৮, ২০২৫, ০৪:৩১ পিএম

রংপুর জেলা বিএনপির সদস্যসচিব আনিছুর রহমান লাকু মারা গেছেন

রংপুর জেলা বিএনপির সদস্যসচিব ও ত্যাগী রাজনীতিবিদ আনিছুর রহমান লাকু আর নেই। বুধবার সকাল ৭টা ১০ মিনিটে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তিনি ইন্তেকাল করেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৫৩ বছর।

রংপুর মহানগর যুবদলের দায়িত্বপ্রাপ্ত দপ্তর সম্পাদক তারিকুল ইসলাম তারেক এ তথ্য গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন।

পারিবারিক ও দলীয় সূত্রে জানা যায়, আনিছুর রহমান লাকু দলীয় কাজে ঢাকায় অবস্থান করছিলেন। সেখান থেকে রংপুরে ফেরার পথে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাৎক্ষণিকভাবে তাঁকে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় সেখানেই বুধবার সকালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।

আনিছুর রহমান লাকু রংপুর নগরীর নুরপুর এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। রাজনীতিতে তাঁর শুরু ছাত্রজীবনে, ছাত্রদলের মাধ্যমে। তিনি একাধারে রংপুর জেলা ছাত্রদলের সভাপতি, জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক, কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক এবং মহানগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

২০২২ সালে গঠিত রংপুর জেলা বিএনপির কমিটিতে তাঁকে সদস্যসচিব হিসেবে মনোনীত করা হয়। আগামী ১৪ অক্টোবর অনুষ্ঠিতব্য জেলা বিএনপির সম্মেলনে তিনি সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থী ছিলেন। এছাড়া আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রংপুর-৩ (সদর) আসনে বিএনপির দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন আনিছুর রহমান লাকু।

ব্যক্তিগত জীবনে তিনি দুই কন্যাসন্তানের জনক ছিলেন। তাঁর মৃত্যুতে বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলোর নেতাকর্মীদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বিভিন্ন মহল থেকে তাঁর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ ও পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানানো হয়েছে।

রংপুরের রাজনীতিতে পরিচ্ছন্ন, ত্যাগী ও জনপ্রিয় নেতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন আনিছুর রহমান লাকু। রাজনৈতিক দূরদর্শিতা, সংগঠক হিসেবে দক্ষতা এবং কর্মীদের প্রতি সহানুভূতিশীল মনোভাবের জন্য তিনি সকলের শ্রদ্ধাভাজন ছিলেন।

তার মৃত্যুতে রংপুর জেলা বিএনপির আসন্ন সম্মেলন ও সাংগঠনিক কার্যক্রমেও এক ধরনের শূন্যতা তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন নেতাকর্মীরা।

জেএইচআর

Link copied!