ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬

শরীয়তপুরে সড়ক নির্মাণে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ 

নুরুজ্জামান শেখ, শরীয়তপুর

নুরুজ্জামান শেখ, শরীয়তপুর

অক্টোবর ২৯, ২০২৫, ০৬:১৫ পিএম

শরীয়তপুরে সড়ক নির্মাণে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ 

শরীয়তপুরে ডামুড্যা উপজেলায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের আওতাধীন আরসিআইপি প্রকল্পের অধীনে শিধলকুড়া মুন্সির হাট সড়কের কাজে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে কাজ করায় স্থানীয়রা কাজ বন্ধ করে দেয়। পরবর্তীতে ইউএনও সরেজমিনে গিয়ে মান সম্মত কাজ করার আশ্বাসে পুনরায় কাজ চালু করে। 

ইউএনও বলেন, টেশনিক্যাল বিষয়গুলি প্রকৌশলীরা জানে। তাই উপজেলা প্রকৌশলীকে মালামাল চেক করে, পরিবর্তন করে সিডিউল অনুযায়ী কাজ করার জন্য নির্দেশ দিয়েছি।
  
জেলা শ্রমিকদলের সহ সভাপতি জয়নাল আবদীন ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ডামুড্যা উপজেলার  আরসিআইপি প্রকল্পের অধীনে প্রায় ১১ কোটি টাকা ব্যয়ে শিধল কুড়া থেকে মুন্সির হাট পর্যন্ত প্রায় ৬ কিলোমিটার রাস্তা সংস্কার কাজ। বিগত সরকারের আমলে ২৪ সালের ২৫ এপ্রিল মাসে এ কাজের  দরপত্র আহ্বান করে। সর্বনিম্ন  দরদাতা হিসাবে কাজটি পান গোপালগঞ্জ জেলার মেসার্স কামরুল এন্ড ব্রার্দাস। ২৪ সালের ৭ আগস্ট কার্যাদেশ প্রদান করা হয়। ২৬ সালের জানুয়ারি মাসে কাজটি শেষ হওয়ার কথা। যার স্বত্বাধীকারী মো. কামরুল ইসলাম। বর্তমানে সাব ঠিকাদার হিসাবে কাজটি করেন খলিলুর রহমান গংরা। ৬ কিলামিটার এ রাস্তার ৪ দশমিক ৯ মিটার প্রশস্ত  সাব বেইজ ও কার্পেটিংসহ মোট ৩ ইঞ্চি উচ্চতা হওয়ার কথা।

সেখানে প্রায় ২ ইঞ্চি ইটের খোয়া ও বালুর মিশ্রণ দেয়ার কথা থাকলেও ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের লোকজন খুবই  নিম্নমানের  পুরোনো ইটের খোয়া ছিটিয়ে দিচ্ছে। ফ্রেশ বালু মেশানোরা কথা থাকলেও সেখানে কাদা মাটি মেশানো হচ্ছে। ইটের সাব বেইজের উপর ৪০ মিলিমিটার হবে কার্পেটিং। নিম্ন মানের ইট আর কাদা মিশ্রণ দেখে স্থানীয় লোকজন গত মঙ্গলবার কাজে বাধা দেয়। পরে ডামুড্যা ইউএনও নাসরিন আক্তার সেতু সেখানে যান এবং মান সম্মতভাবে সিডিউল অনুযায়ী কাজ করার জন্য উপজেলা প্রকৌশলী নাবিল আহাম্মেদকে নির্দেশ দেন। তবে কোন রকম পরিবর্তন ছাড়াই কিছুক্ষণ পরে আবার কাজ শুরু করে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের লোকজন। এতে চরম ক্ষুব্ধ হন এলাকাবাসী।

শিধলকুড়া এলাকার জাহাঙ্গীর সরদার বলেন, খুবই নিম্নমানের ইট দিয়ে কাজ করা হচ্ছে। এটা দেখে আমরা এলাকাবাসী বাধা দিয়েছিলাম। পরে ইউএন এসে দেখে যান। তারপরও সে নিম্নমানের ইট দিয়ে কাজ চালাচ্ছে। 

সহকারী প্রকৌশলী (এসও) ফিরোজ আহাম্মেদ বলেন, কাজটি ডব্লিউ এম এম পদ্ধতির হওয়ার কারণে ইটের খোয়া ও বালু ভিজানো অবস্থায় মিশানোর কারণে ইট খারাপ দেখা যায়। আসলে ইটের মান ভালো। ঠিকাদার সাইদুর রহমান বলেন, আমরা সিডিউল অনুযায়ী কাজ করছি। কাজের কোন ত্রুটি নেই।

ডামুড্যা উপজেলা প্রকৌশলী নাবিল আহাম্মেদ বলেন, কাজ ভালো মানেই হচ্ছে। স্থানীয় লোকজনকে চাঁদা না দেয়ার কারণে নিম্নমানের  কাজ বলে তারা অপপ্রচার চালাচ্ছে। এসব ব্যাপারে আমাকে ফোন দিবেন না। আমি এ ব্যাপারে কোন বক্তব্য দিতে রাজি নই।
  
ডামুড্যা ইউএনও নাসরিন আক্তার বলেন, ঘটনা শুনে আমি এলাকায় যাই টেশনিক্যাল বিষয়গুলি প্রকৌশলীরা জানে। তাই উপজেলা প্রকৌশলীকে মালামাল চেক করে, পরিবর্তন করে সিডিউল অনুযায়ী কাজ করার জন্য নির্দেশ দিয়েছি।

জেএইচআর

Link copied!