ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬

১৫ বছর ধরে নিজ কর্মস্থল থেকে বিতাড়িত অধ্যক্ষ দিদারুল ইসলাম

বাগেরহাট প্রতিনিধি

বাগেরহাট প্রতিনিধি

অক্টোবর ৩১, ২০২৫, ০৩:৪৫ পিএম

১৫ বছর ধরে নিজ কর্মস্থল থেকে বিতাড়িত অধ্যক্ষ দিদারুল ইসলাম

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে নিজ কর্মস্থল থেকে বিতাড়িত থাকা প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ মাওলানা মো. দিদারুল ইসলাম এবার আইনের আশ্রয় নিয়ে কলেজে চাকরি ফিরে পেতে চাইছেন। 

জানা যায়, ২০০১ সালে তিনি সুন্দরবন টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন এবং অধ্যক্ষ হিসেবে নিয়োগ পান। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড থেকে কলেজটি স্বীকৃতি পায়।

কিছুদিন পরে তৎকালীন এমপি ড. মিয়া আব্বাস উদ্দিনের প্রভাব ও কৌশলে কলেজটি তার নামে করে নেন এবং নামকরণ করা হয় ‘সেতারা আব্বাস টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিজনেস ম্যানেজমেন্ট কলেজ’। নাম পরিবর্তনের পরও মাওলানা দিদারুল ইসলাম অধ্যক্ষ পদে ছিলেন ২০১০ সাল পর্যন্ত।

২০১০ সালের এপ্রিল মাসে তাকে একটি চাপপ্রদ বাহিনী দিয়ে এলাকা ছাড়তে বাধ্য করা হয়। সেই সময় কোন নোটিশ ছাড়াই সাময়িক ও চূড়ান্তভাবে বরখাস্ত করা হয় তাকে। যদিও বিধান থাকা সত্ত্বেও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের আপীল আর্বিট্রেশন সেলের অনুমোদন নেওয়া হয়নি। একই বছরের জুলাইয়ে জাল স্বাক্ষর দেখিয়ে পদত্যাগপত্র জমা দেখিয়ে তাকে চুড়ান্ত অব্যাহতি দেয়া হয়। 

এ ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরীও করেছেন তিনি। এরপর থেকে মাওলানা দিদারুল ইসলাম কলেজমুখী হতে পারেননি।

অধ্যক্ষ দিদারুল ইসলাম বলেন, “কলেজ প্রতিষ্ঠা করতে গিয়ে সময় ও অর্থ দুটোই খুইয়েছি। এখন সংসার চালাতে পারছিনা। শিক্ষাগত যোগ্যতা, সামাজিক অবস্থানসহ সবকিছু বিবেচনায় কষ্টে দিন যাচ্ছে। নিজ হাতে কলেজ করেছি। যোগ্যতার প্রমাণ দিয়ে চাকুরি পেয়েছি। নানা চক্রান্তে ১৫টি বছর পথ ধরে কাটিয়েছি। এখন অধিকার ও ন্যায্যতার ভিত্তিতে চাকুরি ফিরে চাই।”

কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. মিজানুর রহমান বলেন, “মাওলানা দিদারুল ইসলাম ২০১০ সালে একটি লাইফ ইন্সুরেন্স কোম্পানিতে মোটা বেতনে চাকুরি পেয়ে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছেন। ২০১৫ সালে তার এমপিও বাতিল হয়। ইতোমধ্যে তিনি কলেজে ফেরার জন্য কারিগরি বোর্ডে আবেদন ও পৃথক দুটি রিট পিটিশন দায়ের করেছেন, যা মহামান্য হাইকোর্ট খারিজ করেছেন। এখন যদি তিনি কলেজে ফেরেন, তা আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে হবে। 

সাবেক অধ্যক্ষের অভিযোগ কলেজের বর্তমান সভাপতি ও উপজেলা নিবাহী কর্মকর্তার হাতে রয়েছে এবং দীর্ঘদিন ধরে বিষয়টি তদন্তাধীন।”

ইএইচ

Link copied!