ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শুক্রবার, ০৫ জুন, ২০২৬

গাজীপুর–১ আসনে ৬ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত

মো. দেলোয়ার হোসেন, কালিয়াকৈর (গাজীপুর)

মো. দেলোয়ার হোসেন, কালিয়াকৈর (গাজীপুর)

ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬, ০৩:০২ পিএম

গাজীপুর–১ আসনে ৬ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাজীপুর–১ আসনে মোট ৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এর মধ্যে বিএনপি ও জামায়াতসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল স্বতন্ত্র প্রার্থীরা অংশ নিলেও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক ভোট না পাওয়ায় ৬ জন প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হতে যাচ্ছে।

নির্বাচন কমিশনের বিধান অনুযায়ী, কোনো প্রার্থী সংশ্লিষ্ট আসনে প্রদত্ত মোট বৈধ ভোটের কমপক্ষে এক অষ্টমাংশ ১২ দশমিক ৫ শতাংশ ভোট না পেলে তার জমাকৃত জামানত রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত হয়।

 এ বিষয়ে জানতে চাইলে কালিয়াকৈর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা এ. এইচ. এম ফখরুল হোসাইন জানান, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিপত্র জারি করেছে। ওই পরিপত্র অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ভোট না পাওয়া প্রার্থীদের জামানত বিধি অনুযায়ী বাজেয়াপ্ত করা হবে, জমাকৃত অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা হবে।

জামানত বাজেয়াপ্ত হওয়া প্রার্থীরা হলেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী এম. রুহুল আমীন (হাতপাখা) পেয়েছেন ৫ হাজার ৬৯৬ ভোট, জাতীয় পার্টির এস. এম. শফিকুল ইসলাম (লাঙ্গল) পেয়েছেন ৩ হাজার ৩২৫ ভোট। বাংলাদেশ লেবার পার্টির চৌধুরী ইরাদ আহমেদ সিদ্দিকী (আনারস) পেয়েছেন ১৬৮ ভোট। বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী)-এর তাসলিমা আক্তার (কাঁচি) পেয়েছেন ২৩২ ভোট। গণফ্রন্টের আতিকুল ইসলাম (মাছ) পেয়েছেন ১২৯ ভোট এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী এমারত হোসেন খান (মোটরসাইকেল) পেয়েছেন ৬ হাজার ৭০৩ ভোট।

প্রাপ্ত ভোটের হিসেবে দেখা গেছে, এসব প্রার্থী কেউই মোট বৈধ ভোটের নির্ধারিত ১২ দশমিক ৫ শতাংশ অর্জন করতে পারেননি। ফলে নির্বাচন কমিশনের বিধি অনুযায়ী তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হচ্ছে।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ লেবার পার্টির প্রার্থী চৌধুরী ইরাদ আহমেদ সিদ্দিকী বলেন, “আমি বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের নিয়ম-নীতি মেনেই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছি। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ভোটে অংশ নেওয়াই ছিল আমার উদ্দেশ্য। জনগণ যে রায় দিয়েছেন, তা আমি মেনে নিচ্ছি।”

উল্লেখ্য, গাজীপুর–১ আসনের নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শান্তিপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হয়, ফলাফল ঘোষণার পর বিজয়ী ও পরাজিত প্রার্থীদের সমর্থকদের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা গেছে। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, নির্ধারিত বিধি অনুযায়ী পরবর্তী প্রশাসনিক কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে।

এএন

Link copied!