ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬

বাগেরহাটে যুবককে কুপিয়ে হাত-পা বিচ্ছিন্ন করল প্রতিপক্ষরা

 বাগেরহাট প্রতিনিধি

 বাগেরহাট প্রতিনিধি

ফেব্রুয়ারি ২২, ২০২৬, ০৭:২৩ পিএম

বাগেরহাটে যুবককে কুপিয়ে হাত-পা বিচ্ছিন্ন করল প্রতিপক্ষরা

বাগেরহাটের কচুয়ায় মো. রহমতউল্লাহ শেখ (২৭) নামের এক যুবককে কুপিয়ে হাত-পা বিচ্ছিন্ন করার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। রোববার বেলা ১১টায় উপজেলার মঘিয়া ইউনিয়নের সম্মানকাঠি গ্রামের কবিরের বাগান থেকে ওই যুবককে উদ্ধার করে কচুয়া থানা পুলিশ। কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে, অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হস্তান্তর করে চিকিৎসকরা।

আহত মো. রহমতউল্লা শেখ (২৭) কচুয়া উপজেলার চরসোনাকুর গ্রামের আব্দুল মতিনের ছেলে।

কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের থাকা অবস্থায় হামলার শিকার রহমতউল্লাহ পানি খাওয়ার জন্য চাচ্ছিলেন। হামলাকারীদের সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, চরসোনাকুর গ্রামের একরাম শেখের ছেলে ইসরাফিল ও ইয়াসিন এবং তাদের সহযোগী ইব্রাহিম আমাকে মেরেছে ও কুপিয়েছে। 

মো. রহমতউল্লা শেখের বাবা আব্দুল মতিন বলেন, জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে কামরুল, ইসরাফিল, ইয়াসিনসহ কয়েকজন আমার ছেলেকে মেরেছে। কুপিয়ে তার দুই হাত বিচ্ছিন্ন করেছে ফেলেছে। দুই-পাও প্রায় বিচ্ছিন্ন হওয়ার অবস্থায় রয়েছে। খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আছি, চিকিৎসকরা ঢাকায় নিতে বলেছেন। ঢাকায় নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানালেন এই বাবা।

কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডা. জান্নাতুল ফেরদাউস বলেন, দুই হাত ও দুই পা গুরুতর জখম নিয়ে। বিশেষ করে একটি হাত ও একটি পা পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন। অন্য একটি পাও বেশ বিচ্ছিন্ন। এছাড়া মাথা, হাটুসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম রয়েছে। তার অবস্থা বেশ ঝুঁকিপূর্ণ। আমরা তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে হস্তান্তর করেছি।

কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে ওই যুবককে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়। কারা কি করেছে, এসব বিষয়ে এখনও কোন তথ্য পাইনি। পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ দিলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ওসি আরও বলেন, রহমতউল্লাহ‘র বিরুদ্ধে থানায় মাদক ও ধর্ষণের মামলা রয়েছে। এলাকায় তার বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ রয়েছে বলেও জানান তিনি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় কয়েক জনের সাথে কথা বলে জানাজায়, সম্প্রতি ওই গ্রামে একটি ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। ওই ধর্ষণের ভিডিও দেখিয়ে ভুক্তভোগী পরিবারটিকে ব্ল্যাক মেইলের চেষ্টা করছিলেন রহমতউল্লাহ। ওই প্রেক্ষিতেও হামলার ঘটনা ঘটতে পারে। ধর্ষণের ঘটনায় রবিবার সকালে কচুয়া থানায় মামলা দায়ের করেছে ভুক্তভোগী ভোগী। মামলায় রহমতউল্লাহ‘র এক ঘনিষ্ঠ জনকে আসামি করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।

এএন

Link copied!