ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

কক্সবাজারে গ্যাস পাম্পে আগুনে দগ্ধ আবু তাহেরের মৃত্যু

রশেদুল ইসলাম, কক্সবাজার

রশেদুল ইসলাম, কক্সবাজার

মার্চ ১, ২০২৬, ০৭:৪১ পিএম

কক্সবাজারে গ্যাস পাম্পে আগুনে দগ্ধ আবু তাহেরের মৃত্যু

কক্সবাজারের কলাতলী এলাকায় এন আলম গ্যাস পাম্পে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধ আবু তাহের (৪২) তিন দিন মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করে অবশেষে মারা গেছেন। রবিবার দুপুর আড়াইটার দিকে ঢাকার ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এর বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি বিভাগে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

নিহতের প্রতিবেশী ও আদর্শ গ্রাম সমাজ কমিটির সভাপতি নাছির উদ্দিন মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, চট্টগ্রামে অবস্থার অবনতি হলে স্বজনরা আবু তাহেরকে ঢাকায় স্থানান্তর করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রবিবার তার মৃত্যু হয়। মরদেহ কক্সবাজারে আনার প্রস্তুতি চলছে। আবু তাহের কক্সবাজার শহরের কলাতলী আদর্শ গ্রামের আব্দুর রহিমের ছেলে। পেশায় তিনি ছিলেন একজন অটোরিকশা চালক।

গত ২৫ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাতে বাড়ির পাশের এন আলম গ্যাস পাম্পে অগ্নিকাণ্ডে তিনি গুরুতর দগ্ধ হন। ৯০ শতাংশ দগ্ধ ছিলেন আবু তাহের৷ আগুনে মোট ১৫ জন দগ্ধ ও আহত হন।

তাদের মধ্যে ৬ জনকে ভর্তি করা হয় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল-এর বার্ন ইউনিটে। সেখানে চিকিৎসাধীন ৬ জনের মধ্যে আবু তাহেরের শরীরের প্রায় ৯০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল বলে জানিয়েছেন বার্ন ইউনিটের প্রধান মোহাম্মদ এস খালেদ। অন্যদের মধ্যে রহিম ৫০ শতাংশ, সিরাজ ৪০ শতাংশ, সাকিব ৩০ শতাংশ এবং মেহেদি ও মোতাহের ২০ শতাংশ করে দগ্ধ হন।

ঘটনার দিন রাতে পাম্পের ট্যাংক থেকে গ্যাস লিকেজ হয়ে আগুনের সূত্রপাত হয়। পাম্পের কর্মচারীরা বালু ও পানি ছিটিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে এবং আগুন দ্রুত চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে।

বিস্ফোরণের পর আশপাশের ঘরবাড়ি ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। এতে প্রায় ৩০টি গাড়ি, চারটি বাড়িসহ নানা অবকাঠামো পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

কক্সবাজার সদর থানার ওসি মো. ছমি উদ্দিন জানান, ঢাকায় দগ্ধ একজনের মৃত্যুর বিষয়টি তারা অবগত হয়েছেন। মরদেহ কক্সবাজারে পৌঁছানোর পর প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে ঘটনার তদন্তে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) মো. শাহিদুল আলমকে প্রধান করে পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে জেলা প্রশাসন। কমিটিকে সাত কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ভয়াবহ এ দুর্ঘটনায় একটি পরিবারে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। স্থানীয়দের দাবি, গ্যাস পাম্পের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় গাফিলতির বিষয়টি খতিয়ে দেখে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে এমন মর্মান্তিক ঘটনা আর না ঘটে।

এএন

Link copied!