ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

ওমানে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রবাসী নিহত, মরদেহ দেশে আনতে পরিবারের সহায়তা কামনা

চাঁদপুর প্রতিনিধি

চাঁদপুর প্রতিনিধি

এপ্রিল ৪, ২০২৬, ০৬:৪৩ পিএম

ওমানে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রবাসী নিহত, মরদেহ দেশে আনতে পরিবারের সহায়তা কামনা

ওমানে সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছেন চাঁদপুরের কচুয়া পৌরসভার কড়ইয়া গ্রামের প্রবাসী কাউছার হোসেন (৪০)।

গত ২৫ মার্চ ওমানের রুস্তাক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। কাউছার হোসেন নুর মিয়া সওদাগর বাড়ির আমির হোসেনের মেজো ছেলে।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩ সালে প্রবাসে পাড়ি জমান কাউছার। গত ১৯ মার্চ (বৃহস্পতিবার) ওমানে কর্মস্থলে যাওয়ার পথে একটি ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হন তিনি। দুর্ঘটনার পরপরই তাকে স্থানীয় রুস্তাক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে টানা কয়েকদিন চিকিৎসাধীন থাকার পর গত বুধবার তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

মৃত্যুকালে তিনি মা, বাবা, স্ত্রী ও তিন কন্যাসন্তানসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম সদস্যকে হারিয়ে তারা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। বর্তমানে বাবার লাশের অপেক্ষায় পথ চেয়ে আছে তার অবুঝ তিন কন্যা।

মৃত্যুর খবর দেশে পৌঁছানোর পর পরিবারের সদস্যদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে। ছোট্ট টিনের ঘরে বসবাস করা পরিবারটি এখন মরদেহ দেশে আনার জন্য মানবিক সহায়তা কামনা করছে।

নিহতের স্ত্রী জান্নাত আক্তার বলেন, "প্রবাসে আমার স্বামীর অকাল মৃত্যুতে সাজানো সংসার তছনছ হয়ে গেছে। স্বামীর মরদেহ যেন দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনা হয়। আমার তিনটি মেয়ে প্রতিদিন বাবার জন্য কাঁদে। আমি শুধু চাই, তার মরদেহ দেশে এনে দাফন করতে পারি।" তিনি মরদেহ দেশে আনার খরচ ও পরিবারের অসহায়ত্বের কথা বিবেচনা করে সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় সহযোগিতা কামনা করেছেন।

নিহতের বাবা আমির হোসেন ও মা মাহফুজা বেগম বলেন, "ঋণ করে ছেলেকে বিদেশ পাঠিয়েছিলাম। এখন সেই ঋণের বোঝা ও ছেলের মৃত্যুর শোক একসঙ্গে আমাদের দিশেহারা করেছে। আমরা গরিব মানুষ। ছেলের লাশ দেশে আনার মতো সামর্থ্য আমাদের নেই। সরকারের কাছে সহযোগিতা চাই।"

এদিকে প্রতিদিনই কাউছারের বাড়িতে স্বজনদের কান্নার রোল চলছে। তার তিন কন্যা সন্তানের চোখে বাবাকে শেষবার দেখার আকুতি স্পষ্ট।

পরিবারের সদস্যরা জানান, অর্থের অভাবে এখনও মরদেহ দেশে আনা সম্ভব হয়নি। এ পরিস্থিতিতে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী। পাশাপাশি সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহ্বানও জানিয়েছেন তারা।

এএন

Link copied!