ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

চাঁদপুরে পহেলা বৈশাখে পান্তা-ইলিশ নয়, চলে ভিন্ন আয়োজন

চাঁদপুর প্রতিনিধি

চাঁদপুর প্রতিনিধি

এপ্রিল ১২, ২০২৬, ১০:২৬ এএম

চাঁদপুরে পহেলা বৈশাখে পান্তা-ইলিশ নয়, চলে ভিন্ন আয়োজন

গত কয়েক বছর বাংলা নববর্ষ পহেলা বৈশাখে চাঁদপুরের পদ্মা-মেঘনার অভয়াশ্রম এলাকায় ইলিশসহ সব ধরনের মাছ আহরণ নিষিদ্ধ থাকায় পান্তা-ইলিশের প্রচলন কমেছে। পান্তার সঙ্গে ভর্তাসহ অন্যান্য মাছ এখন যুক্ত হয়েছে।

কেউ কেউ পূর্বে সংরক্ষণ করে রেখে পহেলা বৈশাখে পান্তা-ইলিশের আয়োজন করেন। তবে এখন প্রকাশ্যে ইলিশ বিক্রি নিষিদ্ধ এবং দণ্ডনীয়।

মার্চ-এপ্রিল দুই মাস চাঁদপুরের অভয়াশ্রম এলাকায় ইলিশসহ সব ধরনের মাছ আহরণ, ক্রয়-বিক্রয়, পরিবহন ও মজুদ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। তবে জাটকা ধরা নিষেধাজ্ঞা এই নিয়ম চালু হওয়ার পূর্বে চাঁদপুরের ইলিশের চাহিদা ছিল ব্যাপক। তখন শেষ সময়ে ইলিশ চড়া দামে বিক্রি হতো।

চাঁদপুর প্রেস ক্লাবের সভাপতি সোহেল রুশদী বলেন, ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে জাটকা সংরক্ষণে জেলার সর্বমহল সচেতন ও প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। যে কারণে পহেলা বৈশাখে পান্তা-ইলিশ খাওয়ার প্রচলন বন্ধ হয়ে গেছে। একসময় প্রেস ক্লাব থেকেই পান্তা-ইলিশ খাওয়ার মাধ্যমে পহেলা বৈশাখ উদযাপন শুরু হতো। এখন মেনু পরিবর্তন করে অন্য মাছ রাখা হয়েছে।

চাঁদপুর শহরের ট্রাক রোড এলাকার গৃহিণী ফাতেমা আক্তার বলেন, এক সময় পহেলা বৈশাখের জন্য ইলিশ সংরক্ষণ করে রাখা হতো, এখন আর তা করা হয় না।

চাঁদপুরের কবি ও লেখক অ্যাডভোকেট রফিকুজ্জামান রনি বলেন, পান্তা-ইলিশ পহেলা বৈশাখে বাঙালি সংস্কৃতির অংশ ছিল। ইলিশের দাম বৃদ্ধি এবং নিষেধাজ্ঞার কারণে চাঁদপুরে এই প্রচলন এখন বন্ধ।

চাঁদপুর মৎস্য বণিক সমবায় সমিতি লিমিটেডের সভাপতি আব্দুল বারী জমাদার মানিক বলেন, চাঁদপুর মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে মার্চ-এপ্রিল দুই মাস ইলিশ বিক্রি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। বেআইনি কোনো কার্যক্রম করলে সে বিষয়ে প্রশাসন ব্যবস্থা নিচ্ছে।

তিনি বলেন, নিষেধাজ্ঞার পূর্বে বড় সাইজের ইলিশ বিক্রি হয়েছে আড়াই হাজার থেকে ৩ হাজার ২০০ টাকা কেজি।

চাঁদপুর সদর উপজেলা জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা মির্জা ওমর ফারুক বলেন, জাটকা সংরক্ষণ এবং ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে মার্চ-এপ্রিল দুই মাস দিন-রাতে টাস্কফোর্স কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। ইলিশ যাতে প্রকাশ্যে বিক্রি করতে না পারে, সে জন্য জলে-স্থলে সব জায়গায় অভিযান চলমান। জড়িতদের জেল ও জরিমানা করা হচ্ছে।

এএন

Link copied!