ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

মেহেরপুরে স্কুল ছুটির পর ভেতরেই তালাবদ্ধ শিশু, আড়াই ঘণ্টা পর উদ্ধার

মেহেরপুর প্রতিনিধি

মেহেরপুর প্রতিনিধি

এপ্রিল ১৬, ২০২৬, ০২:২৪ পিএম

মেহেরপুরে স্কুল ছুটির পর ভেতরেই তালাবদ্ধ শিশু, আড়াই ঘণ্টা পর উদ্ধার

স্কুল ছুটির ঘণ্টা বেজেছে বিকেল ৪টায়। অন্য সব শিক্ষার্থীর মতো বাড়ি ফেরার কথা ছিল তৃতীয় শ্রেণির শিশু সাদিয়ারও। কিন্তু বিধি বাম! সবাই চলে গেলেও বাথরুমে যাওয়ার কারণে সে স্কুলের ভেতরেই থেকে যায়। আর সেই অবস্থাতেই ভবনের মূল গেটে তালা দিয়ে চলে যান শিক্ষকরা। ভবনের মধ্যে আটকা পড়ে থাকে শিশু সাদিয়া। দীর্ঘ আড়াই ঘণ্টা পর বিকেল সাড়ে ছয়টার দিকে তাকে উদ্ধার করা হয়।

বুধবার মেহেরপুর শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত বিএম মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। শিশু সাদিয়া শহরের পুরাতন পোস্ট অফিস পাড়ার বাসিন্দা মনিরুল ইসলামের মেয়ে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার স্কুল ছুটির ঠিক আগ মুহূর্তে সাদিয়া বাথরুমে গিয়েছিল। সে বের হওয়ার আগেই বিদ্যালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষক ও কর্মচারীরা ভবনের ভেতরে কেউ আছে কি না তা যাচাই না করেই কলাপসিবল গেট ও মূল ফটকে তালা লাগিয়ে দ্রুত ক্যাম্পাস ত্যাগ করেন। বাথরুম থেকে বের হয়ে সাদিয়া বিদ্যালয়কে জনশূন্য ও তালাবদ্ধ অবস্থায় দেখে। ভয়ে ও আতঙ্কে সে দীর্ঘক্ষণ কান্নাকাটি ও চিৎকার করলেও শুরুতে তা কারও নজরে আসেনি।

বিকেল সাড়ে ছয়টার দিকে স্কুলের মূল ফটকের সামনে একজন পেয়ারা বিক্রেতা বাথরুমে যাওয়ার জন্য স্কুলের ভেতরে প্রবেশ করেন। এ সময় জনশূন্য ও তালাবদ্ধ স্কুলে সাদিয়াকে দেখে তিনি চমকে ওঠেন। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে পরিবার ও স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাকে উদ্ধার করা হয়। এ সময় বিদ্যালয়ের মূল ফটক খুলে ভেতরে প্রবেশ করা হয়। কিন্তু বিদ্যালয় ভবনের কলাপসিবল দরজা ভেঙে বা খুলে শিশুটিকে বের করা সম্ভব না হওয়ায় স্থানীয়রা একপর্যায়ে স্কুলের শিক্ষিকা লিনা ভট্টাচার্যকে ডেকে তার উপস্থিতিতে সাদিয়াকে উদ্ধার করেন। এ সময় শিশুটি ভীত-সন্ত্রস্ত অবস্থায় ছিল বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান।

ঘটনাটি জানার পর গণমাধ্যমকর্মীরা বিদ্যালয়ের অফিসিয়াল নম্বরে যোগাযোগের চেষ্টা করেন। তবে বিষয়টি জানতে চাইলে ফোন কেটে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে আরও কয়েকজন গণমাধ্যমকর্মী ওই নম্বরে কল দিলেও কর্তৃপক্ষ সাড়া দেয়নি। এতে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের ভূমিকা নিয়ে আরও প্রশ্ন উঠেছে।

পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনায় রাত প্রায় ১২টার দিকে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন মেহেরপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খায়রুল ইসলাম। তিনি স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে ঘটনার প্রাথমিক তথ্য নেন এবং বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও সাড়া পাননি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খায়রুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি গুরুত্ব সহকারে দেখা হবে। এ বিষয়ে শিক্ষক ও অভিভাবকদের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এএন

Link copied!