ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬

ফরিদগঞ্জে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ৭

চাঁদপুর প্রতিনিধি

চাঁদপুর প্রতিনিধি

এপ্রিল ১৮, ২০২৬, ০৮:৫২ পিএম

ফরিদগঞ্জে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ৭

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে পূর্বের স্ত্রীকে তালাক দিয়ে নতুন করে বিয়ের প্রস্তুতিকালে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে কমপক্ষে ৭ জন আহত হয়েছেন।

শনিবার দুপুরে উপজেলার গোবিন্দপুর উত্তর ইউনিয়নের চরমথুরা গ্রামের গাজী বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চরমথুরা গ্রামের রফিকুল ইসলাম গাজীর ছেলে মহিম উদ্দিন রুবেলের সঙ্গে দক্ষিণ চরবড়ালি গ্রামের আবদুস ছোবহানের মেয়ে রিমা আক্তারের ২০২৪ সালের ১৪ আগস্ট ইসলামী শরিয়াহ মোতাবেক বিয়ে হয়। বিয়ের পর রুবেল প্রবাসে চলে যান। কয়েক মাস আগে দেশে ফিরে এসে তিনি স্ত্রী রিমা আক্তারের শারীরিক অক্ষমতার কথা উল্লেখ করে ৩ মার্চ নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে তালাক দেন।

এরপর শনিবার (১৮ এপ্রিল) রুবেল পুনরায় বিয়ের দিন নির্ধারণ করেন। এ খবর পেয়ে তার পূর্বের স্ত্রী রিমা আক্তার ও তার পরিবারের সদস্যরা রুবেলের বাড়িতে গেলে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয় এবং এক পর্যায়ে মারামারিতে রূপ নেয়। সংঘর্ষ ঘরের ভেতর থেকে শুরু হয়ে বাইরে পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে।

এ ঘটনায় অন্তত ৭ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে রিমা আক্তার, তার মা কোহিনুর বেগম, ভাই সাইফুল ইসলাম, খালাত ভাই রাব্বি ও খালা সাহিনুর বেগম রয়েছেন। গুরুতর আহত সাইফুল ইসলামকে প্রথমে ফরিদগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে চাঁদপুর সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকা রেফার করা হয়। এছাড়া রুবেলের পরিবারের কয়েকজন সদস্যও আহত হন।

রিমা আক্তার অভিযোগ করে বলেন, রুবেল কয়েক মাস আগে দেশে ফিরে তাকে শ্বশুরবাড়িতে নিয়ে যান, পরে বাবার বাড়িতে রেখে আর কোনো খোঁজখবর নেননি। পরে তিনি গোপনে তালাক দিয়েছেন বলে জানতে পারেন। তিনি আরও বলেন, আজ নতুন বিয়ের প্রস্তুতির খবর পেয়ে আমরা সেখানে গেলে আমাদের ওপর হামলা করা হয়।

অন্যদিকে মহিম উদ্দিন রুবেল বলেন, রিমা শারীরিকভাবে অক্ষম হওয়ায় তিনি ৩ মার্চ নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে তালাক দিয়েছেন। পরে নতুন বিয়ের প্রস্তুতির সময় তারাই এসে হামলা চালায়, এতে তাদের পরিবারের কয়েকজন আহত হন।

এ ঘটনায় পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে উভয় পক্ষকে শান্ত থাকার নির্দেশ দেয়।

ফরিদগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হেলাল উদ্দিন জানান, বিষয়টি তারা জেনেছেন। তবে এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষই থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়নি।

এএন

Link copied!