ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

নাগরপুরে অবৈধ বালু ব্যবসা বন্ধে এমপির অভিযান, যানবাহন জব্দ

নাগরপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি

নাগরপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি

এপ্রিল ২৬, ২০২৬, ০১:৫০ পিএম

নাগরপুরে অবৈধ বালু ব্যবসা বন্ধে এমপির অভিযান, যানবাহন জব্দ

টাঙ্গাইলের নাগরপুরে ধলেশ্বরী নদীতে অবৈধ বালু ব্যবসার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য রবিউল আউয়াল লাভলু। জনদুর্ভোগের অভিযোগে তিনি নিজেই ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে অবৈধ কার্যক্রম বন্ধ করে দেন। এ সময় বালু পরিবহনে ব্যবহৃত একাধিক ট্রাকসহ বিভিন্ন যানবাহন জব্দ করা হয়।

সম্প্রতি উপজেলার সহবতপুর ইউনিয়নের জাঙ্গালিয়া গ্রাম সংলগ্ন ধলেশ্বরী নদীর তীরে উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় এই বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে নদী খননের সময় উত্তোলিত বালুর লিজ নিয়ে একটি প্রভাবশালী মহল তা বিক্রি শুরু করে। পরবর্তীতে লিজের মেয়াদ শেষ হয়ে গেলেও কিছু অসাধু আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের ম্যানেজ করে তারা একইভাবে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও বিক্রির কার্যক্রম চালিয়ে যেতে থাকে বলে অভিযোগ রয়েছে।

এর ফলে নদীর তীর ভাঙন, পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি এবং এলাকাবাসীর চরম দুর্ভোগের সৃষ্টি হয়। স্থানীয়দের অভিযোগ, দিন-রাত শত শত ভারী ট্রাক চলাচলের কারণে এলাকার সড়কগুলো ভেঙে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। পাশাপাশি অতিরিক্ত ধুলোবালি ও শব্দদূষণে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। ঘরের ভেতরে ধুলোর আস্তরণ জমে যাওয়া, খাবারের সঙ্গে ধুলো মিশে যাওয়া এবং জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ার মতো সমস্যাও দেখা দিয়েছে।

এমন পরিস্থিতিতে স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতে সংসদ সদস্য রবিউল আউয়াল লাভলু ঘটনাস্থলে ছুটে যান এবং তাৎক্ষণিকভাবে অবৈধ বালু ব্যবসা বন্ধের নির্দেশ দেন। অভিযানে অংশ নেয় উপজেলা প্রশাসন, যারা ঘটনাস্থল থেকে কয়েকটি ট্রাক ও অন্যান্য যানবাহন জব্দ করে।

অভিযানকালে সংসদ সদস্য বলেন, “সরকারি সম্পদ অবৈধভাবে লুটপাট এবং জনগণের দুর্ভোগ কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। নদী থেকে বালু উত্তোলন অবশ্যই নিয়মের মধ্যে হতে হবে, যাতে সরকার যথাযথ রাজস্ব পায় এবং সাধারণ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত না হয়।” তিনি আরও কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “আমার নাম ভাঙিয়ে কেউ যদি অবৈধ বালু ব্যবসা বা কোনো ধরনের অনিয়মে জড়ায়, তাকে কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না—সে যেই হোক না কেন।”

উপজেলা প্রশাসন জানায়, জনদুর্ভোগ কমানো এবং সরকারি রাজস্ব নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। অবৈধ বালু ব্যবসার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

প্রশাসনের এই পদক্ষেপে জাঙ্গালিয়া এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে। তারা আশা করছেন, নিয়মিত নজরদারি অব্যাহত থাকলে ধলেশ্বরী নদী তীরবর্তী এলাকাগুলো দীর্ঘদিনের এই ভোগান্তি থেকে স্থায়ীভাবে মুক্তি পাবে।

এএন

Link copied!