ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

পদ্মায় নৌ-পুলিশের ‘বেপরোয়া চাঁদাবাজি ও গণডাকাতি’, জেলেদের মানববন্ধন

নুরুজ্জামান শেখ, শরীয়তপুর

নুরুজ্জামান শেখ, শরীয়তপুর

মে ১১, ২০২৬, ০৪:৫৫ পিএম

পদ্মায় নৌ-পুলিশের ‘বেপরোয়া চাঁদাবাজি ও গণডাকাতি’, জেলেদের মানববন্ধন

শরীয়তপুরের পদ্মা নদীতে মাছ ধরার সময় চাঁদপুর ও মোহনপুর নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যদের বিরুদ্ধে বেপরোয়া চাঁদাবাজি এবং গণডাকাতির অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় জেলেরা। প্রতি মাসে হাজার হাজার জেলেকে জিম্মি করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল, মানববন্ধন ও সমাবেশ করেছেন শরীয়তপুর জেলা মৎস্যজীবী দল ও সাধারণ জেলেরা।

ভুক্তভোগী জেলে ও স্থানীয় বিএনপি নেতাদের সূত্রে জানা গেছে, ভেদরগঞ্জ ও নড়িয়া উপজেলার প্রায় ২ হাজার জেলে প্রতিদিন পদ্মায় মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করেন। অভিযোগ উঠেছে, জেলেরা নদীতে নামলেই চাঁদপুর, মোহনপুর ও নরসিংহপুর নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা ৫ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা পর্যন্ত চাঁদা দাবি করে। চাঁদা না দিলে জেলেদের বিরুদ্ধে মামলা দেওয়া হয়।

জেলে সোহেল মোল্লা ও মজিবর মিয়া অভিযোগ করেন, রাতে পুলিশ সদস্যরা মাস্ক পরে ছদ্মবেশে নৌকায় গণহারে ডাকাতি করে। টাকা দিলে অবৈধ ‘চায়না দুয়ারি’ বা কারেন্ট জালও বৈধ হয়ে যায়, আর টাকা না দিলে বৈধ জাল দিয়ে মাছ ধরলেও হয়রানির শিকার হতে হয়। সখিপুর থানা যুবদলের অর্থ সম্পাদক মাসুদ করিম বলেন, বিগত ১৭ বছর ধরে চলে আসা এই চাঁদাবাজি নতুন সরকারের আমলেও বন্ধ হয়নি, যা অত্যন্ত দুঃখজনক।

নৌ-পুলিশের এই হয়রানির প্রতিবাদে গত শনিবার সন্ধ্যায় ভেদরগঞ্জের দুলারচর লঞ্চঘাট এলাকায় দুই শতাধিক জেলে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেন। কর্মসূচি শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে জেলেরা দুর্নীতিবাজ ও চাঁদাবাজ পুলিশের হাত থেকে বাঁচতে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন মহলের হস্তক্ষেপ কামনা করেন। অনেক জেলে এখন গ্রেফতার ও ডাকাতির আতঙ্কে নদীতে নামা বন্ধ করে দিয়েছেন।

চাঁদাবাজির অভিযোগ অস্বীকার করে চাদঁপুর নৌ-পুলিশের পুলিশ সুপার সৈয়দ মুসফিকুর রহমান বলেন, জেলেরা অবৈধ কারেন্ট জাল দিয়ে মাছ ধরতে চায়, আমরা সেখানে বাধা দেই। তারা যদি সরকারের পক্ষ থেকে কারেন্ট জালের অনুমোদন নিয়ে আসতে পারে, তবে আমরা আর বাধা দিব না।

অন্যদিকে, নরসিংহপুর নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. ইয়াসিনুল হক দাবি করেন, এ ধরণের ঘটনার বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না এবং তার ফোর্স এমন কাজের সাথে জড়িত নয়। মোহনপুর নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

জেএইচআর

Link copied!