ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা রবিবার, ১৯ জুলাই, ২০২৬

কোম্পানীগঞ্জে চাহিদার চেয়েও বেশি কোরবানির পশু প্রস্তুত

এম. এস. আরমান, কোম্পানীগঞ্জ (নোয়াখালী)

এম. এস. আরমান, কোম্পানীগঞ্জ (নোয়াখালী)

মে ২২, ২০২৬, ০৪:৫৭ পিএম

কোম্পানীগঞ্জে চাহিদার চেয়েও বেশি কোরবানির পশু প্রস্তুত

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে কোরবানির পশুর চাহিদার তুলনায় বেশি পশু প্রস্তুত করা হয়েছে। উপজেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, এবার উপজেলায় কোরবানির জন্য প্রস্তুত রয়েছে ২৮ হাজার ১৮৮টি গরু, মহিষ, ছাগল ও ভেড়া। স্থানীয় চাহিদা পূরণ শেষেও এবার ৩০৮৮টি পশু উদ্বৃত্ত থাকবে।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগ জানায়, কোম্পানীগঞ্জে কোরবানির পশুর সম্ভাব্য চাহিদা ২৫ হাজার ১০০টি। এই চাহিদা পূরণে উপজেলার ৮টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভায় প্রায় ৯৬৭টি ছোট-বড় খামারে পশু লালন-পালন করা হয়েছে। বর্তমানে খামারিরা পশুর শেষ মুহূর্তের পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন।

তবে খামারিরা জানান, পশুখাদ্য ও লালন-পালনের খরচ বেড়ে যাওয়ায় এবারের কোরবানির পশুর দাম গত বছরের তুলনায় কিছুটা বেশি হতে পারে। একই সঙ্গে তাঁরা দেশীয় খামারিদের স্বার্থ রক্ষায় বিদেশ থেকে গরু আমদানি বন্ধ রাখার দাবি জানিয়েছেন।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ডা. মো. নূরুল কাউসার খান বলেন, “কোম্পানীগঞ্জে চাহিদার তুলনায় পর্যাপ্ত কোরবানির পশু রয়েছে। বাইরে থেকে যাতে কোনো পশু না আসে, সে বিষয়ে আমরা সজাগ রয়েছি। খামারিদের নিয়মিত পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়া পশুর হাটে ৫টি মেডিকেল টিম কাজ করবে।”

এদিকে ঈদুল আজহা উপলক্ষে উপজেলায় মোট ২৭টি পশুর হাটে কোরবানির পশু বেচাকেনা হবে। এর মধ্যে ১টি স্থায়ী ও ২৬টি অস্থায়ী হাট রয়েছে। হাটগুলোর সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে কোম্পানীগঞ্জ থানা-পুলিশ।

থানা-পুলিশ সূত্র জানায়, প্রতিটি হাটে জাল টাকা শনাক্তকরণে কাজ করবে পুলিশ। পাশাপাশি টহল পুলিশ ও সাদা পোশাকের গোয়েন্দা সদস্যরা নিরাপত্তা জোরদার করবেন।

কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মাসুদুর রহমান বলেন, পশুর হাটের নিরাপত্তায় আমাদের একাধিক টিম কাজ করছে। সীমান্ত এলাকায় পশুবাহী গাড়ি থেকে যাতে চাঁদাবাজি বা গরু চুরি না হয়, সে বিষয়ে আমরা সতর্ক রয়েছি। জাল টাকা শনাক্ত, গরু চুরি প্রতিরোধ এবং যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। খামারিদেরও সতর্ক থাকার পাশাপাশি প্রয়োজনে পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করার আহ্বান জানান তিনি।

জেএইচআর

Link copied!