ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

শিক্ষা ও গবেষণা উন্নয়নের অগ্রযাত্রায় আপনাদের পাশে চাই: যবিপ্রবি উপাচার্য

যশোর ব্যুরো

যশোর ব্যুরো

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২৫, ০৫:৫৬ পিএম

শিক্ষা ও গবেষণা উন্নয়নের অগ্রযাত্রায় আপনাদের পাশে চাই: যবিপ্রবি উপাচার্য

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল মজিদ বলেছেন, আন্তর্জাতিক পরিসরে যবিপ্রবির অর্জন ঈর্ষণীয়। কৈশোর পেরিয়ে যৌবনে পা দেওয়া এই বিশ্ববিদ্যালয়টি ইতোমধ্যেই শিক্ষা ও গবেষণায় বিশ্ব র‌্যাঙ্কিংয়ে জায়গা করে নিয়েছে। এ অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে তিনি যশোরের সকল শুভানুধ্যায়ী ও বিদ্যানুরাগীদের পাশে থাকার আহ্বান জানান।

মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সম্মেলন কক্ষে “শিক্ষা ও গবেষণা উন্নয়নের লক্ষ্যে” সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এই আহ্বান জানান অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল মজিদ। 

সভার সূচনা বক্তব্যে তিনি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে ২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার জুলাই গণঅভ্যুত্থান পর্যন্ত যারা শহিদ হয়েছেন, তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান এবং এখনও চিকিৎসাধীন অবস্থায় থাকা আহতদের দ্রুত সুস্থতার কামনা করেন।

মতবিনিময় সভায় তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্রগতি ও উন্নয়ন নিয়ে বলেন, যোগদানের পর থেকে ছাত্র-ছাত্রীদের বিভিন্ন দাবি পূরণের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালানো হয়েছে। তাঁর মূল লক্ষ্য হলো যবিপ্রবিকে শিক্ষা ও গবেষণায় বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরিত করা এবং শিক্ষার্থীদের দক্ষ জনশক্তিতে গড়ে তোলা।

উপাচার্য বলেন, শিক্ষার্থীদের দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ন্যাশনাল কনফারেন্স, উচ্চশিক্ষা ও মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ক সেমিনার ও কর্মশালা আয়োজনের ধারা অব্যাহত থাকবে। জুলাই উদযাপনের কার্যক্রম হিসেবে “জুলাই কর্ণার” চালু রয়েছে। এছাড়া, যবিপ্রবির প্রথম ভিত্তিপ্রস্তর যেটি দীর্ঘদিন neglected ছিল, তা পুনরায় সম্মানের সঙ্গে স্থাপন করা হয়েছে। নতুন নামফলকসহ দৃষ্টিনন্দন গেইটের ডিজাইনও সম্পন্ন হয়েছে এবং শীঘ্রই দৃশ্যমান হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

উপাচার্য আরও জানান, শিক্ষার্থীদের দাবির প্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয়ে দুইটি নতুন হল চালু হয়েছে, লিফট সমস্যা সমাধান করা হয়েছে, হলের ভেতরে সকল নাগরিক সুবিধা চালু করা হয়েছে, সকল হলের ডাইনিং আধুনিকীকরণ করা হয়েছে, বিভিন্ন ভবনের নাম পরিবর্তন, রাস্তা ও ফুটপাত সংস্কার ও প্রশস্তকরণ, পরিবহন সমস্যার স্থায়ী সমাধান, নতুন পরিবহন সংযোজনসহ বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। এছাড়া কেন্দ্রীয় ক্যাফেটেরিয়া চালু, প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের কনফারেন্স রুম আধুনিকীকরণ, একাডেমিক ভবনের ক্যান্টিন পুনঃসংস্কার, পরীক্ষার ফলাফল দ্রুত প্রকাশের জন্য অনলাইন ব্যবস্থা চালু, জরুরি সেবা কেন্দ্র স্থাপন ও ভেটেরিনারি মেডিসিন অনুষদের শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের দাবি বাস্তবায়ন করা হয়েছে।

তিনি জানান, বিশ্ববিদ্যালয়কে র‌্যাগিংমুক্ত ও রাজনীতিমুক্ত ক্যাম্পাস ঘোষণা করা হয়েছে। স্নাতক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য বৃত্তি ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ের জন্য রিসার্চ ফেলোশিপ চালু হয়েছে। শিক্ষার্থীদের দক্ষ জনশক্তি হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে সেন্টার ফর ট্রেইনিং অ্যান্ড স্কিল ডেভেলপমেন্ট (সিটিএসডি) যাত্রা শুরু করেছে। এছাড়া ইনোভেশন অ্যান্ড স্টার্ট-আপ সাপোর্ট সেল, আইকিউএসি ও অ্যাক্রেডিটেশন সাপোর্ট সেল কার্যক্রম চলছে।

উপাচার্য জানান, সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয় উদ্ভাবিত জারবেরা ফুল সরাসরি বাণিজ্যিক ফুলচাষীদের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে। দ্রুতই ফিজিওথেরাপি ও নার্সিং কেয়ার সেবা চালু হবে। মলিকুলার রিসার্চ ও ডায়াগনস্টিক সেবা সম্প্রসারণ, উপকূলীয় জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও ব্রাকিশ ওয়াটার উন্নয়নের লক্ষ্যে সাতক্ষিরায় নতুন কেন্দ্র স্থাপন, খেজুরজাত উন্নয়ন ও বাণিজ্যিক প্রসার, ভবিষ্যতে লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং, রিজিওনাল এনার্জি হাব ও দুটি রিসার্চ বিল্ডিং স্থাপনসহ নতুন বিভাগ খোলার পরিকল্পনা রয়েছে।

উপাচার্য সাংবাদিকদের বলেন, যবিপ্রবির আয়তন মাত্র ৩৫ একর হলেও বিশ্ববিদ্যালয় দ্রুততম সময়ের মধ্যে আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে রূপান্তরিত হতে যাচ্ছে। এজন্য নতুন ভূমি অধিগ্রহণ প্রয়োজন। ইতোমধ্যে সংশোধিত প্রজেক্ট প্রোপোজাল ইউজিসিতে প্রেরণের প্রস্তুতি চলছে। তিনি সকল শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও যশোরবাসীর সহযোগিতা কামনা করেন।

সভায় যবিপ্রবির কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. হোসেন আল মামুন, যশোর প্রেসক্লাব সভাপতি জাহিদ হাসান টুকুনসহ বিভিন্ন মিডিয়ার সাংবাদিক উপস্থিত ছিলেন। 

সাংবাদিকরা বিভিন্ন গঠনমূলক প্রশ্ন ও পরামর্শ দেন, যা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করা হয়েছে।

ইএইচ

Link copied!