ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শুক্রবার, ০৫ জুন, ২০২৬

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে নবম পে-স্কেলের দাবিতে কর্মচারীদের মানববন্ধন

শরীফুল ইসলাম, জাককানইবি

শরীফুল ইসলাম, জাককানইবি

নভেম্বর ১৬, ২০২৫, ০৪:৪০ পিএম

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে নবম পে-স্কেলের দাবিতে কর্মচারীদের মানববন্ধন

নবম পে-স্কেল বাস্তবায়ন ও বেতন কাঠামো পুনর্গঠনের দাবিতে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

রোববার সকাল ১১টায় প্রশাসনিক ভবনের সামনের সড়কে বাংলাদেশ আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় কর্মচারী ফেডারেশনের (বাআবিকফ) কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে এ কর্মসূচিতে বিভিন্ন দপ্তরের প্রায় শতাধিক কর্মচারী অংশ নেন।

মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা ব্যানার–প্ল্যাকার্ড হাতে দাঁড়িয়ে বর্তমান বেতন কাঠামোর প্রতি গভীর অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তাদের অভিযোগ, দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতিতে বাসাভাড়া, খাদ্য, চিকিৎসা ও সন্তানের শিক্ষাসহ মৌলিক ব্যয় চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। বেশিরভাগ কর্মচারী মাসের মাঝামাঝি পৌঁছতেই অর্থকষ্টে পড়েন; কেউ কেউ ঋণ ছাড়া সংসার চালাতে পারছেন না বলেও জানান।

কর্মচারী সমিতির সভাপতি নজরুল ইসলাম কাজল মানববন্ধনে বলেন,“বর্তমান বেতন কাঠামোয় ন্যূনতম জীবনমান বজায় রাখা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। মাসের শুরুতেই সব বেতন শেষ হয়ে যায়। অনেকেরই দু’বেলা খাবারের নিশ্চয়তা থাকে না। নবম পে-স্কেল বাস্তবায়ন না হলে কর্মচারীদের দুর্দশা আরও চরমে পৌঁছাবে।” তিনি দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ আন্দোলন অব্যাহত রাখারও ঘোষণা দেন।

বক্তারা অভিযোগ করেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের সামগ্রিক প্রশাসনিক কার্যক্রম সচল রাখার অন্যতম দায়িত্ব পালন করলেও কর্মচারীরা বছরের পর বছর কাঙ্ক্ষিত আর্থিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত। শিক্ষক–কর্মকর্তারা বিভিন্ন ভাতা ও সুযোগ-সুবিধা পেলেও কর্মচারীদের দাবি ধারাবাহিকভাবে উপেক্ষিত থেকে যাচ্ছে বলেও অভিযোগ তোলেন তারা।

মানববন্ধনে বাআবিকফের প্রস্তাবিত ২১ দফা দাবি উপস্থাপন করা হয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—সর্বনিম্ন বেতন ৩৫ হাজার টাকা নির্ধারণ, বিদ্যমান গ্রেড সংখ্যা কমিয়ে ১২টিতে আনা, গ্রেডভিত্তিক বেতন অনুপাত ১:৪ করা, বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট ১০ শতাংশ করা, টাইম-স্কেল ও সিলেকশন-গ্রেড পুনর্বহাল, চিকিৎসা–যাতায়াত–বাড়িভাড়া ভাতা বাস্তবসম্মত হারে বৃদ্ধি ইত্যাদি।

মানববন্ধনে অংশ নেওয়া কর্মচারীরা জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক সেবা কাঠামোর অন্যতম চালিকাশক্তি হওয়া সত্ত্বেও তাদের সুযোগ-সুবিধা সবচেয়ে কম। মূল্যস্ফীতির এই সময়ে নতুন পে-স্কেলই তাদের জন্য একমাত্র আশার আলো বলে মন্তব্য করেন তারা। প্ল্যাকার্ডে লেখা ছিল—“নবম পে-স্কেল চাই”, “জীবনমান নিশ্চিত করুন”, “ন্যূনতম অধিকার চাই”, “বঞ্চনার জবাব চাই” ইত্যাদি।

মানববন্ধন শেষে জানা যায়, পরবর্তী ধাপে কর্মচারীরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে আনুষ্ঠানিক স্মারকলিপি দেবেন। দাবি আদায় না হলে আরও কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারিও দেন তারা।

মানববন্ধন বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে প্রশাসনিক ভবনের একটি সূত্র জানায়, কর্মচারীরা দাবি লিখিতভাবে পেশ করলে তা সিন্ডিকেট ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর বিষয়টি বিবেচনা করা হতে পারে।

সম্প্রতি দেশের প্রায় সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়েই একই দাবিতে ধারাবাহিক কর্মসূচি চলছে। মানববন্ধন, সমাবেশ ও স্মারকলিপির মাধ্যমে কর্মচারীরা পে-স্কেল সংস্কারের দাবি জোরালো করায় বিষয়টি এখন জাতীয় পর্যায়েও আলোচনায় এসেছে।

ইএইচ

Link copied!