ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬

ছাত্রীকে ইভটিজিংয়ের ঘটনায় বাদী হয়ে যবিপ্রবি প্রশাসনের মামলা, আসামি গ্রেপ্তার

যবিপ্রবি প্রতিনিধি

যবিপ্রবি প্রতিনিধি

নভেম্বর ২৬, ২০২৫, ০৭:৪৫ পিএম

ছাত্রীকে ইভটিজিংয়ের ঘটনায় বাদী হয়ে যবিপ্রবি প্রশাসনের মামলা, আসামি গ্রেপ্তার

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) এক ছাত্রীকে ইভটিজিংয়ের ঘটনায় যশোর কোতোয়ালি থানায় বাদী হয়ে মামলা করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। মামলার আসামি মো. মোনায়েম হোসেনকে গ্রেফতার করেছে যশোর কোতোয়ালি থানা পুলিশ। এদিকে সংঘর্ষের ঘটনায় ৫ সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে যবিপ্রবি প্রশাসন। 

এছাড়া নতুন প্রক্টর হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ইইই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ইঞ্জি. ইমরান খান।

বুধবার মামলার পর মোনায়েমকে কোর্টে চালান করা হয়েছে। মামলার দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশের উপ–পরিদর্শক দেবাশীষ হালদার এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

মামলার এজাহারে বলা হয়, ২৪ নভেম্বর ২০২৫ রাত ৮টার দিকে শিক্ষার্থীরা ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস মেরামতের কাজে যশোর কোতোয়ালি মডেল থানাধীন আমবটতলা এলাকার ‘মোনায়েম টেলিকম’ দোকানে যান। দোকানে ভিড় থাকার কারণে তারা নিজেরাই ডিভাইস খুলতে থাকেন। এক পর্যায়ে এক ছাত্রীর হাত সামান্য কেটে গেলে দোকানদার অভিযুক্ত মোনায়েম তার হাত স্পর্শ করেন। ছাত্রীরা এই আচরণের প্রতিবাদ জানালে তিনি “ঔষধ লাগানোর চেষ্টা” করার অজুহাত দেন। এতে বিব্রত হয়ে ছাত্রী তার হাত সরিয়ে নেন। কাজ শেষে দোকান থেকে বেরিয়ে যাওয়ার সময় দোকানদার মোনায়েম ছাত্রীদের উদ্দেশে অশ্লীল কথাবার্তা বলেন। পরে ছাত্রীরা বিষয়টি তাদের ক্লাসের বন্ধুদের জানালে রাইয়ানুল ইসলাম, মেহনাজ মুনিব তন্ময়, আব্দুল্লাহ আল জোবের, সাব্বির আহম্মেদ, ইয়াছিন আরাফাত শেখ, রাতুল হাসানসহ অন্যান্য শিক্ষার্থী দোকানে গেলে অভিযুক্ত মোনায়েম তাদের হুমকি দিয়ে স্থান ত্যাগ করে পালিয়ে যান।

অভিযুক্তকে গ্রেফতারের বিষয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশের উপ–পরিদর্শক দেবাশীষ হালদার বলেন, ইভটিজিংয়ে অভিযুক্ত মো. মোনায়েম হোসেনের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর বাদী হয়ে মামলা করেছেন। আমরা তাকে গ্রেফতার করেছি এবং কোর্টে চালান করে দিয়েছি। এখন তদন্ত করে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে যশোর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ও বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলে থাকা আহত শিক্ষার্থীদের দেখতে যান উপাচার্য, কোষাধ্যক্ষসহ বিভিন্ন প্রশাসনিক দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষকরা।

সার্বিক বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল মজিদ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে মামলা করা হয়েছে। আহত শিক্ষার্থীদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে আমরা দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আজই বাজার কমিটির সঙ্গে জরুরি বৈঠকে বসবো, যাতে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি আর না ঘটে।

উল্লেখ্য, যবিপ্রবির এক নারী শিক্ষার্থীকে ইভটিজিংয়ের ঘটনায় গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে স্থানীয়দের ধাওয়া–পাল্টাধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। এতে প্রায় ২৭ জন শিক্ষার্থী, তিন সাংবাদিক ছাড়াও কয়েকজন শিক্ষক–কর্মকর্তা আহত হন। গুরুতরভাবে জখম হন আইপিই বিভাগের রোহান, গণিত বিভাগের তানজিল আল ফাহিম, ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী আহাদ সৈকতসহ আরও অনেকে। পুড়িয়ে দেওয়া হয় সাংবাদিক সাব্বিরের সাইকেল।

পরে রাতে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা মেডিকেল সেন্টারে উপাচার্যসহ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে অবরুদ্ধ করে রাখেন। অভিযুক্তকে গ্রেফতারসহ কয়েক দফা দাবিতে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটামে রাত ১টা ৩০ মিনিটে অবরুদ্ধ অবস্থা থেকে ছাড়া পান উপাচার্য। পরে শিক্ষার্থীদের দাবির প্রেক্ষিতে বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ক্লাস ও পরীক্ষা বন্ধ ঘোষণা করে প্রশাসন। এছাড়া প্রশাসনের পক্ষ থেকে আহত সকল শিক্ষার্থীর চিকিৎসা খরচ বহনের আশ্বাস দেওয়া হয়।

ইএইচ

Link copied!