ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬
সিইসি

সাংবাদিকদের উপস্থিতিই নির্বাচন স্বচ্ছতার গ্যারান্টি

নিজস্ব প্রতিবেদক

নিজস্ব প্রতিবেদক

জানুয়ারি ২৯, ২০২৬, ০৩:৪১ পিএম

সাংবাদিকদের উপস্থিতিই নির্বাচন স্বচ্ছতার গ্যারান্টি

নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে সংবাদকর্মীদের ভূমিকাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে বর্তমান নির্বাচন কমিশন (ইসি)। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, “সাংবাদিকরা যদি প্রতিটি ভোটকেন্দ্র এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেন, তবেই নির্বাচনে প্রকৃত স্বচ্ছতা বজায় থাকবে।”

বৃহস্পতিবার রাজধানীর আগারগাঁওস্থ নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধি ও নেতাদের সাথে এক রুদ্ধদ্বার বৈঠক শেষে তিনি এসব কথা বলেন। তবে সিইসির এই ইতিবাচক বার্তার বিপরীতে সাংবাদিক নেতারা নির্বাচন কাভার করার ক্ষেত্রে বিদ্যমান নীতিমালা ও আমলাতান্ত্রিক জটিলতা নিয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন।

সিইসি নাসির উদ্দিন বলেন, সংবাদ সংগ্রহের কাজকে বাধাগ্রস্ত নয়, বরং সহজতর করতে কমিশন বদ্ধপরিকর। তিনি মনে করেন, একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য গণমাধ্যম হলো কমিশনের ‘চোখ ও কান’। তিনি আশ্বস্ত করেন যে, ভোটকেন্দ্রে তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে সংবাদকর্মীরা যাতে কোনো ধরনের হয়রানির শিকার না হন, সেদিকে কড়া নজর রাখা হবে।

বৈঠকে উপস্থিত সাংবাদিক নেতারা বর্তমান সাংবাদিক নীতিমালার বেশ কিছু ধারা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তাদের মূল দাবিসমূহ হলো:

নীতিমালা সংশোধন: বর্তমানে বিদ্যমান বিতর্কিত বা বাধা সৃষ্টিকারী নীতিমালা অবিলম্বে সংশোধন করতে হবে।

অনলাইন পদ্ধতি বাতিল: সাংবাদিক পর্যবেক্ষণের ‘পাস’ বা পরিচয়পত্র দেওয়ার যে অনলাইন পদ্ধতি চালু করা হয়েছে, তা জটিল ও সময়সাপেক্ষ। সাংবাদিকরা এই পদ্ধতি বাতিল করে সরাসরি বা সহজতর পদ্ধতিতে পাস ইস্যুর দাবি জানিয়েছেন।

ভোটকেন্দ্রে প্রবেশাধিকার: কোনো ধরনের পূর্বশর্ত ছাড়াই ভোটকেন্দ্রের ভেতরে ছবি তোলা ও তথ্য সংগ্রহের অবাধ সুযোগ নিশ্চিত করা।

বৈঠক শেষে সাংবাদিক নেতারা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে, তাদের দাবিগুলো আমলে নেওয়া না হলে তারা কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হবেন। তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, আগামী রোববারের (১ ফেব্রুয়ারি) মধ্যে যদি নীতিমালার সংশোধন এবং পাস দেওয়ার পদ্ধতি সহজ করা না হয়, তবে সংবাদকর্মীরা আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন এবং গণভোট কাভার করবেন কি না, তা নিয়ে সম্মিলিতভাবে নতুন সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এক কথায়, দাবি পূরণ না হলে নির্বাচন বর্জনের পথেও হাঁটতে পারেন সাংবাদিকরা।

আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের পাশাপাশি দেশীয় সংবাদকর্মীদের এই অসন্তোষ কমিশনের জন্য বড় ধরনের চাপের সৃষ্টি করেছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, যদি দেশের মূলধারার সাংবাদিকরা নির্বাচন কাভার করা থেকে বিরত থাকেন, তবে দেশি-বিদেশি মহলে নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা বড় ধরনের প্রশ্নের মুখে পড়বে।

সিইসি নাসির উদ্দিন অবশ্য সাংবাদিকদের আশ্বস্ত করে বলেন, আমরা আপনাদের কাজ সহজ করতে চাই। রোববারের মধ্যেই আপনাদের উদ্বেগগুলো নিরসনের চেষ্টা করা হবে।

১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে প্রায় ৫০টি রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণ করতে যাচ্ছে। এর পাশাপাশি ‘জুলাই সংস্কার সনদ’ নিয়ে গণভোটের বিশাল কর্মযজ্ঞও রয়েছে। এমন গুরুত্বপূর্ণ এক দিনে সাংবাদিকদের অনুপস্থিতি পুরো আয়োজনকে ম্লান করে দিতে পারে। এখন দেখার বিষয়, আগামী রবিবারের মধ্যে নির্বাচন কমিশন সাংবাদিক নেতাদের শর্ত মেনে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেয় কি না।

এএন

Link copied!