ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬
প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী

স্বাস্থ্যখাতে জিডিপির ১ শতাংশ বরাদ্দের সিদ্ধান্ত আসছে

আমার সংবাদ ডেস্ক

আমার সংবাদ ডেস্ক

মে ১৩, ২০২৬, ০৪:০৬ পিএম

স্বাস্থ্যখাতে জিডিপির ১ শতাংশ বরাদ্দের সিদ্ধান্ত আসছে

দেশের স্বাস্থ্য খাতে বর্তমান বরাদ্দ অপ্রতুল উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী ড. এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় আসন্ন বাজেটে স্বাস্থ্য খাতে জিডিপির ১ শতাংশ বরাদ্দ দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। বর্তমানে এ খাতে বরাদ্দ রয়েছে জিডিপির ০.৬৭ শতাংশ।

বুধবার দুপুর ২টায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আয়োজিত ‘দেশব্যাপী হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন ২০২৬’ বিষয়ক এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার বলেন, দীর্ঘদিন ধরে দেশের স্বাস্থ্য খাত অপ্রতুল বরাদ্দের মধ্যে পরিচালিত হচ্ছে। তবে নতুন পরিকল্পনার মাধ্যমে স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা (প্রাইমারি হেলথকেয়ার) ব্যবস্থা একটি সমন্বিত ও কার্যকর কাঠামোয় রূপ দিতে কাজ শুরু হয়েছে।

তিনি জানান, পরিকল্পনার অংশ হিসেবে দেশের প্রতিটি ইউনিয়ন ও শহরের প্রতিটি ওয়ার্ডে একটি করে প্রাইমারি হেলথকেয়ার ইউনিট গড়ে তোলা হবে। এ লক্ষ্যে এক লাখ নতুন স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, নতুন ব্যবস্থায় প্রতিটি পরিবার মাসে অন্তত একবার স্বাস্থ্যকর্মীর সেবা পাবে। এসব কর্মী বাড়ি বাড়ি গিয়ে স্বাস্থ্য পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করবেন। এর মধ্যে থাকবে রক্তে শর্করা ও রক্তচাপ পরীক্ষা, মানসিক স্বাস্থ্য মূল্যায়ন, গর্ভবতী নারীদের কাউন্সেলিং, পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের বিকাশ পর্যবেক্ষণ এবং টিকাদান কার্যক্রম।

এছাড়া প্রতিটি নাগরিককে ইলেকট্রনিক হেলথ কার্ড দেওয়া হবে। রোগীর অবস্থার ভিত্তিতে তাকে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ইউনিটে পাঠানো হবে এবং প্রয়োজন হলে উপজেলা বা টারশিয়ারি হাসপাতালে রেফার করা হবে।

দেশে হামের সংক্রমণ বৃদ্ধির বিষয়ে তিনি বলেন, অতীতের অব্যবস্থাপনা এবং ২০২০ সালের পর হামবিরোধী ক্যাম্পেইন বন্ধ থাকায় বর্তমান পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। আগের সরকারের সময়ে টিকাদান কভারেজের তথ্য বিকৃত করার অভিযোগও করেন তিনি।

অন্যদিকে সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস জানান, ৫ এপ্রিল থেকে দেশের ১৮ জেলার উচ্চ সংক্রমণপ্রবণ ৩০ উপজেলা ও ১৩ পৌরসভায় হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইনের প্রথম ধাপ শুরু হয়। দ্বিতীয় ধাপে ১২ এপ্রিল থেকে ঢাকা উত্তর, ঢাকা দক্ষিণ, ময়মনসিংহ ও বরিশাল সিটি করপোরেশনে কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

পরে ২০ এপ্রিল থেকে দেশব্যাপী এ কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হয়। তিনি বলেন, সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী প্রায় ১ কোটি ৮০ লাখ শিশুকে টিকার আওতায় আনা হয়েছে, যা নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার প্রায় শতভাগ। প্রথম ধাপের এলাকাগুলোতে হামের সংক্রমণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।

তিনি আরও জানান, টিকা গ্রহণের পর শরীরে রোগ প্রতিরোধী অ্যান্টিবডি তৈরি হতে সাধারণত তিন সপ্তাহ সময় লাগে। তাই খুব শিগগিরই দেশে হামের সংক্রমণ আরও কমে আসবে।

অভিভাবকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, যেসব শিশু এখনো টিকা পায়নি, এমনকি নিয়মিত ইপিআই কার্যক্রমের আওতায় দুই ডোজ টিকা পাওয়া শিশুরাও যেন ক্যাম্পেইনের আওতায় হাম-রুবেলা টিকা গ্রহণ করে।

এম জি

Link copied!