Amar Sangbad
ঢাকা রবিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২২, ৯ আশ্বিন ১৪২৯

সুনামগঞ্জে হত্যার দায়ে একজনের আমৃত্যু-পাঁচজনের যাবজ্জীবন

নিজস্ব প্রতিবেদক

আগস্ট ৮, ২০২২, ০৪:১৮ পিএম


সুনামগঞ্জে হত্যার দায়ে একজনের আমৃত্যু-পাঁচজনের যাবজ্জীবন

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরের দুলা মিয়া (২৬) হত্যা মামলায় ১ জনের যাবজ্জীবন (আমৃত্যু) কারাদণ্ড এবং ৫ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

সোমবার (৮ আগস্ট) দুপুরে সুনামগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ মহিউদ্দিন মুরাদ এই রায় দেন।

পুলিশ ও আদালত সূত্রে জানা যায়, জেলার জগন্নাথপুর উপজেলার শম্ভুপুর গ্রামের দুলা মিয়ার সঙ্গে  হিরা মিয়ার ডোবায় মাছ ধরা নিয়ে বিরোধ চলছিল। ২০১১ সালের ২৪ নভেম্বর  সকালে বাড়ির পাশের ডোবায় প্রতিপক্ষ হিরা মিয়ার লোকজন জোরপূর্বক মাছ ধরতে গেলে দুলা মিয়ার সঙ্গে হিরা মিয়ার কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে হিরা মিয়া ও তার লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে দুলা মিয়ার লোকজনের ওপর হামলা করে।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০০১ সালের ২৪ নভেম্বর গ্রামের ডোবায় মাছ ধরা নিয়ে জগন্নাথপুরের দাওরাই গ্রামের সফর আলী ও হীরা মিয়ার লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে বেশ কয়েকজন আহত হন। গুরুতর আহত সফল আলী’র ভাতিজা দুলা মিয়াকে (২৬) সিলেটের ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার সময় পথেই মারা যান।

এ ঘটনায় ৩২ জনকে আসামি করে দুলা মিয়ার চাচা সফর আলী দুইদিন পর (২৬ নভেম্বর, ২০০১) জগন্নাথপুর থানায় মামলা দায়ের করেন। পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে।

আদালতে মামলার দীর্ঘ শুনানির সময় পাঁচজন আসামি মৃত্যুবরণ করেন। বাদী সফর আলীও মারা যান। পলাতক রয়েছেন ১০ জন আসামি। আদালত ১৩ জন স্বাক্ষীর স্বাক্ষ্য গ্রহণ শেষে সোমবার সম্ভুপুর গ্রামের রহিদ উল্লার ছেলে হীরা মিয়া প্রকাশ ইজাজুলকে যাবজ্জীবন (আমৃত্যু) কারাদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করেন। অন্য আসামিদের মধ্যে দাওরাই গ্রামের মসকদ উল্লাহ্’র ছেলে আব্দুল মন্নাফ, একই গ্রামের আমরু মিয়ার ছেলে কয়েছ, রৈফত উল্লার ছেলে মসকুর ও নেছাওরকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন। এছাড়া একই গ্রামের আসামী নূর হোসেনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও ৬ মাসের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করেন।

বাদীপক্ষে আইনজীবী ছিলেন অতিরিক্ত পিপি সোহেল মিয়া ও অ্যাড আবুল মজাদ চৌধুরী। আসামিপক্ষে অ্যাডভোকেট হুমায়ুন মঞ্জুর চৌধুরী এবং সরকার নিযুক্ত আইনজীবী ছিলেন আইনুল ইসলাম বাবলু।


ইএফ

Link copied!