ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা শনিবার, ১৩ জুন, ২০২৬

খাবারে পরিবর্তনে কমতে পারে মাইগ্রেন

মৃত্যুঞ্জয় বসু

মৃত্যুঞ্জয় বসু

অক্টোবর ৯, ২০২৫, ০৪:৫৭ পিএম

খাবারে পরিবর্তনে কমতে পারে মাইগ্রেন

মাইগ্রেন এক জটিল স্নায়বিক সমস্যা, যা কখনও কয়েক ঘণ্টা আবার কখনও কয়েক দিন পর্যন্ত ভোগাতে পারে। দীর্ঘ সময় ধরে এই যন্ত্রণা চলতে থাকলে শরীর ও মন দুটোই ক্লান্ত হয়ে পড়ে। সমস্যার আশঙ্কাজনক দিক হলো এটির কোন স্থায়ী বা নির্দিষ্ট চিকিৎসা নেই। তবে জীবনযাত্রায় কিছু ইতিবাচক পরিবর্তন আনা এবং সঠিক খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুললে অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব মাইগ্রেনের তীব্রতা। 

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কিছু নির্দিষ্ট স্বাস্থ্যকর খাবার ও নিয়ম মেনে চললে মাইগ্রেনের সঙ্গে লড়াইটা একটু সহজ হয়ে উঠতে পারে।

কখনও ঝমঝমিয়ে বৃষ্টি, কখনও আবার চড়া রোদ, মরসুম বদলের সময়ে মাইগ্রেনের সমস্যায় নাজেহাল হন অনেকেই। প্রচণ্ড মাথা ব্যথা, সঙ্গে বমি ভাব কিংবা মাথার এক পাশ থেকে শুরু হয়ে গোটা মাথায় ছড়িয়ে পড়া অসম্ভব যন্ত্রণা, সঙ্গে জ্বর এই উপসর্গগুলি মাইগ্রেনের রোগীদের কাছে বেশ পরিচিত। মাইগ্রেন সেরে যায় কয়েক ঘণ্টায়, কখনও আবার বেশ কয়েক দিন ধরে ভোগায় এই সমস্যা। একটানা বেশ ক’দিন থাকার কারণে এই যন্ত্রণা শরীরকে কাবু করে দেয়। এ দিকে, তেমন কোনও নির্দিষ্ট চিকিৎসাও নেই, যা কমিয়ে দিতে পারবে মাইগ্রেন। 

তবে জীবনধারায় কিছু পরিবর্তন এবং স্বাস্থ্যকর কিছু খাবার খাদ্যাভ্যাসে রাখলে অনেকটাই সাহায্য করতে পারে মাইগ্রেনের সঙ্গে লড়তে। 

যেসব খাবারে মাইগ্রেনের ব্যথা কমবে-

পর্যাপ্ত পানি পান: বহু শারীরিক সমস্যার সমাধানই করতে পারে পানি। মাইগ্রেনের একটি সাধারণ কারণ হতে পারে পানির অভাব বা ডিহাইড্রেশন। এজন্য মাইগ্রেনের ব্যথা থেকে বাঁচতে প্রতিদিন নিয়ম পর্যাপ্ত পানি পান করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। দিনে অন্তত ৪ থেকে ৫ লিটার পানি পান করার চেষ্টা করুন।

কলা: অনেক সময়ে খালি পেটে থাকলে হাইপোগ্লাইসেমিয়া (রক্তে শর্করা মাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে কমে যাওয়া) হয়ে মাথা ধরে যেতে পারে। সেটাই মাইগ্রেনের ব্যথায় পরিণত হতে পারে। চটজলদি মাথা যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেতে একটি কলা খেয়ে নিতে পারেন। ম্যাগনেশিয়ামের ভরপুর এই ফল খেলে খুব দ্রুত শরীর সতেজ করতে সাহায্য করে এবং মাইগ্রেনের আশঙ্কাও কমায়।

বাদাম: বাদামে থাকে ম্যাগনেশিয়াম। এই উপাদানটি মাথা ব্যথা ও মাইগ্রেনের সমস্যা কমাতে সাহায্য করে। ফলে কাজের ফাঁকে মাঝেমধ্যে এই স্বাস্থ্যকর খাবার খেয়ে নেওয়াই যায়। কাঠবাদাম, কাজুবাদাম, আখরোট খাওয়ার অভ্যাস করা যেতেই পারে।

তেলযুক্ত মাছ: ইলিশ, রুই, কাতলা, পমফ্রেটের মতো মাছে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড ভরপুর মাত্রায় থাকে। খাদ্যাভ্যাসে এমন মাছ রাখলে মাথা যন্ত্রণার সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারেন।

শাক ও তাজা ফল: তাজা ফল এবং শাকসবজি ভিটামিন, খনিজ এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর। পালংশাকে ভিটামিন বি৬, বি১২, ফলিক অ্যাসিড ও ম্যাগনেশিয়াম থাকে। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গিয়েছে, এই সব উপাদান মাইগ্রেনের সমস্যা দূর করতে কাজে লাগে। তাই এই শাক খাদ্যাভ্যাসে রাখা যেতেই পারে।

আদা চা: মাইগ্রেন শুরু হলে বমি বমি ভাব আসে, শরীরে অস্বস্তি শুরু হয়। এই সমস্যা দূর করতে আদা চায়ে চুমুক দিতে পারেন। আদায় থাকা অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট ও অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি গুণ মাইগ্রেনের সঙ্গে লড়তে সাহায্য করে।

এছাড়া ডার্ক চকলেট, ম্যাগনেশিয়াম সমৃদ্ধ খাবার ও গ্রিন টি, পুদিনা চা, ক্যামোমাইল চা ইত্যাদিগুলো পান করার মাধ্যমে এই ব্যথা উপশম হতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, মাইগ্রেনের ব্যথা কমানোর জন্য খাদ্যাভ্যাসের কিছু পরিবর্তনও গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। তবে, কোনও রকম ক্রনিক অসুখ থাকলে খাদ্যাভ্যাসের কিছু পরিবর্তন আনার আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

এমবি/জেএইচআর

Link copied!